বিশেষ প্রতিনিধি:
গত আট বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ বছরও ২৬শে সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মজয়ন্তীতে ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস’ হিসেবে উদযাপন করল বাংলা পক্ষ। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের ১৬টি জেলায় মহাসমারোহে দিনটি পালন করা হয়। বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন জেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষকদের ‘বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুনঃ মহাকাশে মার্কিন গুপ্তচর উপগ্রহ ‘ফারাহ ৩’ ধ্বংস; ভবিষ্যৎ মহাকাশ বর্জ্য নিয়ে উদ্বেগ
বাংলা পক্ষের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত ৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসকে প্রত্যাখ্যান করে বিদ্যাসাগরের এই জন্মদিনটিকেই বাংলা ও বাঙালির নিজস্ব ‘শিক্ষক দিবস’ হিসেবে সমাজের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত করাই তাঁদের লক্ষ্য।
আরও পড়ুনঃ সিপিএম নিয়ে তাঁর ছুতমার্গ নেই; বুদ্ধ-মমতাকে মিলিয়ে দিল শ্রীরামপুর
এ বছরের প্রধান দাবি ও আলোকপাত
এ বছর শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজ্য শিক্ষা ব্যবস্থার সুরক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেছে সংগঠনটি:
-
স্কুল বন্ধের প্রতিবাদ: পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত বা সাহায্যপ্রাপ্ত কোনো সরকারি স্কুল যেন বন্ধ করা না হয়, তার স্পষ্ট দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
-
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন রক্ষা: বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর নীতিগত বা প্রশাসনিক আক্রমণ বন্ধ করার জোর দাবি তোলা হয়েছে।
বিদ্যাসাগরের শিক্ষাভাবনা ও বাংলা ভাষার বিকাশকে ধারণ করে শিক্ষা ব্যবস্থায় বাঙালির অধিকার সুনিশ্চিত করাই ছিল এ বছরের কর্মসূচির মূল বার্তা।


