প্রয়াত হয়েছেন খালেদা জিয়া। তাঁর অবর্তমানে বড় দায়িত্ব পেলেন পুত্র তারেক রহমান । আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্য়ান নন, মায়ের পদেই বসছেন তারেক, হচ্ছেন বিএনপি-র চেয়ারম্যান। দলীয় সূত্রেই এই খবর পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচনের ঠিক এক মাস আগে তারেক রহমানের এই পদপ্রাপ্তি অবশ্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ নিজেদের মাতৃভাষা কি ভুলে গেছেন ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার! পদ্মাপাড়ে মহাবিতর্ক
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শূন্য বিএনপির চেয়ারম্যান পদ। সেই পদেই বসবেন তারেক রহমান। ৪১ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যানের পদ পরিবর্তন হল। তবে কোন প্রক্রিয়ায়, কবে তাঁকে চেয়ারম্যান পদ দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে এখনও বিএনপি সিদ্ধান্ত নেয়নি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর নির্বাচনী প্রচারের ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ডেই বা কার ছবি থাকবে, তা নিয়েও বিড়ম্বনা তৈরি হয়েছে। তার কারণ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী, প্রার্থীরা শুধু নিজের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট তৈরি করতে পারবেন। ছবি পোর্ট্রেট আকারে হবে এবং তা কোনও অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্ব বা প্রার্থনারত অবস্থায় বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যাবে না। এতেই সমস্যায় পড়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা, কারণ অনেকেই ইতিমধ্য়ে খালেদা জিয়ার ছবি দিয়ে পোস্টার ছাপিয়ে ফেলেছেন। এখন তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করতে হবে কি না, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দল। এমনটাই সূত্রের খবর।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড়সড় আলোড়ন! ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে গোপন বৈঠকের খবর ফাঁস জামাত নেতার
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপির নেতারা বলছেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক সংবেদনশীলতাসহ কৌশলগত কারণে বিষয়টি এখনই সামনে আনা হচ্ছে না। বাস্তবে সব সিদ্ধান্ত, দিকনির্দেশ ও কৌশল নির্ধারিত হচ্ছে তারেক রহমানের কথাতেই। সময়মতো তারেক রহমানের নাম চেয়ারম্যান হিসাবে ঘোষণা করা হবে।
অন্যদিকে, বিএনপির নেতা-কর্মীদের অনেকে বলছেন, দলের প্রয়াত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অনুপস্থিত থাকলেও এবারের নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে থাকবেন তিনি। তাঁর মৃত্যু- শোককে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করবে বিএনপি। তাঁর শেষযাত্রায় বাঁধভাঙা মানুষের উপস্থিতি এবং বাকি দেশগুলির প্রকাশ করা শ্রদ্ধা-কে নির্বাচনে কাজ লাগানোর চেষ্টা থাকবে। অর্থাৎ জনসমর্থনের ঢেউকে ভোটে রূপান্তরের চেষ্টা। আর বিএনপি জিতলে তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রীও হতে পারে।









