Thursday, 4 June, 2026
4 June
HomeকলকাতাNew TMC: নব্য তৃণমূলে দূরদূরান্ত অব্দি নেই ‘ভাইপোর’ কাল ছায়া! কি করবেন...

New TMC: নব্য তৃণমূলে দূরদূরান্ত অব্দি নেই ‘ভাইপোর’ কাল ছায়া! কি করবেন ‘পিসি’?

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তবে এবার কি করবেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিরোধী দলনেতার দায়িত্বে। আজ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন। ঋতব্রত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এখন রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তবে এবার কি করবেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। মমতার অপত্য স্নেহের কারণেই আজ ভেঙে টুকরো টুকরো তৃণমূল এমনটাই দাবি দলের সিংহভাগের। দল ভাঙলেও অভিষেককে ছাড়েননি মমতা। এবার নতুন তৃণমূলে অভিষেক নেই তবে মমতা থাকবে কি উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ একটি রাজকীয় রহস্য যা কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয় না; ফুল পিশি ও এডওয়ার্ড

সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সাংসদ। তিনি এই বিধানসভার কোনো সদস্য নন। তিনি আগে জাল নথি দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। এটা এখন স্পিকারের এখতিয়ার। স্পিকার যা করবেন, তা তাঁর বিবেচনা। যদি প্রমাণিত হয় যে জালিয়াতি হয়েছে, তাহলে বিধানসভার স্পিকার লোকসভার সদস্যপদ বাতিল করার জন্য চিঠি লিখতে পারেন।”ঋতব্রত আরও বলেন, “অভিষেকের সঙ্গে জনতার কোনো সম্পর্ক নেই।

আরও পড়ুনঃ বিদ্রোহীদের দখলেই মমতার পরিষদীয় দল; ঋতব্রতর চিঠিতে অনুমোদন স্পিকারের, নজিরবিহীন ঘটনা বিধানসভায়

মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে তিনি লুকিয়ে বসে থাকতেন না। চোরের মত মার খাওয়ার পর কেন্দ্রের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।একই সঙ্গে ঋতব্রত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, “আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে রাখতে চাই। তিনি দলের প্রধান পরামর্শদাতা হয়ে থাকুন।” তিনি জানান, নব্য তৃণমূলের ৫৯ জন বিধায়ক মমতাকে নেত্রী হিসেবে মানেন, কিন্তু দলের ভিতরে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চান।

ঋতব্রতর এই বক্তব্য তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে আরও প্রকাশ্য করে দিয়েছে। তিনি বলেন, “যারা আজ বিশ্বাসঘাতকতা করছেন, তাঁদের কর্মফল একদিন ভোগ করতেই হবে। ধর্মের কল বাতাসে নড়বে।” তাঁর মতে, তৃণমূলের আসল শক্তি হলেন গ্রাসরুট কর্মীরা, যাঁরা এখনও মমতার পাশে রয়েছেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তৃণমূলের একাংশ ঋতব্রতর বক্তব্যকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা ও অপপ্রচার’ বলে নিন্দা করেছেন। দলের এক মুখপাত্র বলেন, “ঋতব্রত বিজেপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দলের একমাত্র নেত্রী। কেউ তাঁর জায়গা নিতে পারবে না।”

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন