কে কোথায় দাঁড়িয়ে?
একাধিক প্রথম সারির সমীক্ষক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী লড়াই এখন ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে:
-
Matrize-এর পূর্বাভাস: এই সংস্থার মতে লড়াই হবে জোরদার। বিজেপি পেতে পারে ১৪৬-১৬১টি আসন, যা তাদের সরকার গঠনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূলের ঝুলিতে থাকতে পারে ১২৫-১৪০টি আসন। অন্যদের দখলে যেতে পারে ৬-১০টি আসন।
-
P-Marq-এর সমীক্ষা: এখানে বিজেপি-র পাল্লা কিছুটা ভারী। তাদের অনুমান অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ১৫০-১৭৫টি আসন এবং তৃণমূল পেতে পারে ১১৮-১৩৮টি আসন। অন্যদের ভাগ্যে ২-৬টি আসন জুটতে পারে।
-
People’s Pulse-এর চমক: এই সংস্থা বাকিদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছবি দেখাচ্ছে। তাদের দাবি, তৃণমূল পেতে পারে ১৭৭-১৮৭টি আসন, যা তাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ইঙ্গিত দেয়। বিজেপি-র আসন সংখ্যা ৯৫-১১০-এ আটকে যেতে পারে বলে তাদের পূর্বাভাস।
আরও পড়ুনঃ আগামী কয়েকটা দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বঙ্গবার্তা-র আবেদন
২০২১-এর শিক্ষা ভুল প্রমাণিত হতে পারে এক্সিট পোল
মনে রাখা জরুরি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও এক্সিট পোলগুলি সঠিক চিত্র দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। সেবার রিপাবলিক-CNX বিজেপি-কে ১৪৩টি আসন দিয়ে এগিয়ে রেখেছিল এবং অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কথা বলেছিল। কিন্তু ৪ মে ইভিএম খোলার পর দেখা গিয়েছিল সমস্ত সমীক্ষাকে নস্যাৎ করে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ২১৫টি আসন জিতে বড়সড় জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। বিজেপি থমকে গিয়েছিল মাত্র ৭৭-এ।
আরও পড়ুনঃ ‘আসি…’, মিষ্টি হাসিতে শীর্ষণ্যর সঙ্গে এক ফ্রেমে মীনাক্ষী
শান্তিপূর্ণ অন্তিম দফা ও ৪ মে-র অপেক্ষা
প্রথম দফায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও ভাঙচুরের খবর এলেও, বুধবারের অন্তিম দফার ভোটগ্রহণ ছিল মোটের ওপর শান্ত। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলির মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বুথে পৌঁছেছেন। এখন জল্পনার পারদ তুঙ্গে থাকলেও চূড়ান্ত ফয়সালা হবে আগামী ৪ মে। ওই দিনই স্পষ্ট হবে এক্সিট পোলের পূর্বাভাস সত্যি করে রাজ্যে প্রথমবার পদ্ম ফুটবে, নাকি সমস্ত অঙ্ক ওলটপালট করে দিয়ে দিদি-র হ্যাটট্রিক পরবর্তী জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে। সব মিলিয়ে ৪ মে-র অগ্নিপরীক্ষার আগে আপাতত গভীর উৎকণ্ঠায় প্রহর গুনছে বাংলার সবকটি রাজনৈতিক দল।



