কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
সাইট সিয়িং নিয়ে পাহাড় ও সমতলের গাড়ি চালকদের বিরোধের জেরে শুক্রবার থেকে পর্যটকদের আর টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখাতে নিয়ে যাবেন না পাহাড়ের চালকরা। শীতে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকে বলে বড়দিন কাটাতে আসা পর্যটকরা অনেকেই টাইগার হিলে সুর্যোদয় দেখতে যান। পাহাড়ের চালকদের এই আন্দোলনে জেরে টাইগার হিলে যাওয়ার প্ল্যান বাতিল করতে হবে পর্যটকদের। পাহাড়ের সংযুক্তি চালক সংগঠন অবশ্য পাহাড় ও সমতলের গাড়ি চালকদের বিরোধ নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।
আরও পড়ুনঃ বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক! ভারতীয়দের আঘাত করতে ২৬ ডিসেম্বর থেকে নয়া ছক ISI এর
তাঁদের অভিযোগ, জিটিএ ট্র্যাফিক অ্যাডভাইসরি কমিটি পাহাড়ের চালকদের সমস্যা নিরসনে উদ্যোগী নন। অথচ, টাইগার হিলে পর্যটক নিয়ে যাওয়া প্রতিটি গাড়ি থেকে ২০ টাকা করে ফি আদায় করা হচ্ছে। শুক্রবার থেকে তাঁরা টাইগার হিলে যেমন যাবেন না, তেমনই ওই ফি-ও দেবেন না বলে জানিয়েছেন চালকরা।
বহু পর্যটক সমতল থেকে গাড়ি বুক করে পাহাড়ে বেড়াতে যান। গন্তব্যে পৌঁছানোর পরে একই গাড়িতে করে তাঁরা টাইগার হিল কিংবা অন্য পর্যটনস্থল ভ্রমণ করেন। পাহাড়ের চালকদের এখানেই আপত্তি। তাঁরা চান না সমতলের গাড়ি চালকেরা সাইট সিন করাতে নিয়ে যান পর্যটকদের।
আরও পড়ুনঃ কলকাতায় বাড়ল তাপমাত্রা, দক্ষিণবঙ্গে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা কম
সম্প্রতি লেবংয়ে সমতলের চারটি ট্যুরিস্ট গাড়ি ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনায় পাহাড়ের চালকদের উস্কানি রয়েছে বলে অনেকেরই সন্দেহ। এ বার সমতলের চালকরা পর্যটকদের টাইগার হিলে নিয়ে গেলে পাহাড়ের চালকরা বাধা দেবেন কি না, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। গাড়ি চালকদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় সমস্যা হবে পর্যটকদের। গাড়ির অভাব দেখা দেবে। ভাড়াও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা।
হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘টাইগার হিলে সমতলের চালকরা পর্যটক নিয়ে গেলে নতুন করে বিরোধ হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে আমরা বিরোধ চাই না। শুক্রবার ফের সমতলের সমস্ত চালক সংগঠনগুলি বৈঠকে বসবে। সেখানেই পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে।’









