Saturday, 2 May, 2026
2 May
HomeকলকাতাTMC: ঘুম ছুটেছে তৃণমূলের! বুথের লড়াই আদালতের অলিন্দে

TMC: ঘুম ছুটেছে তৃণমূলের! বুথের লড়াই আদালতের অলিন্দে

বুথের লড়াই এখন পৌঁছেছে আদালতের অলিন্দে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ভোট গণনায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট ধাক্কা খেয়েছিল তৃণমূল। এ বার তৃণমূল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল। শীর্ষ আদালত তাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আজ শনিবারই এই মামলার শুনানি হবে। মামলার শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। বিচারপতি পিএস নরসিংহ এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ এই মামলাটি শুনবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় তৃণমূলের দায়ের করা মামলা শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ব্যালট যুদ্ধে সৌজন্যের জয়; উন্নয়নের নতুন দিশার অপেক্ষায় বাংলা!

ভোট গণনাকেন্দ্রে কাউন্টিং সুপারভাইজ়ার বা তাঁর সহকারী বা অন্যান্য গণনাকর্মী হিসাবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ নির্বাচন কমিশন করছে। তৃণমূল সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিতে পারে না। মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে কেন্দ্রীয় কর্মচারী নিযুক্ত করায় তৃণমূলের আপত্তি নেই। তবে বাকি গণনাকর্মীরাও কেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হবেন? কেন সেখানে রাজ্য সরকারের কর্মীরা থাকবেন না? এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক আদালত। প্রত্যেক গণনার টেবিলে কমপক্ষে এক জন কাউন্টিং সুপারভাইজার বা সহকারী হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন, তাতে হস্তক্ষেপ করেনি হাই কোর্ট।

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও শুনানিতে স্পষ্ট জানান, কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের নিয়োগ বৈধ। হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কমিশনের সিদ্ধান্তে বেআইনি কিছু নেই। মামলাকারীর অভিযোগ প্রমাণহীন। যদি ভবিষ্যতে গণনায় কারচুপি প্রমাণ হয়, তবে নির্বাচনী হলফনামা মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করা যাবে। হাই কোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট, স্ক্রুটিনিতে ধরা পড়ল গলদ! ১৫ বুথে ‘রি-পোল’

প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে ২৩ এপ্রিল। গত বুধবার, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট হল। রাজ্য জুড়ে দু’দফার ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণই হয়েছে। এ বার নির্বাচন কমিশন রাজ্যে ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের চেয়ে কমিয়ে দিয়েছে। ২৯৪টি আসনের জন্য ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা হবে। কোন জেলায় কোথায় কোথায় গণনা চলবে, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশন জেলা ধরে ধরে গণনাকেন্দ্রের ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে। সাধারণত একটি গণনাকেন্দ্রে ১৪টি টেবিল থাকে। প্রত্যেক বার ১৪টি টেবিলে গণনা সম্পন্ন হলে এক রাউন্ড হয়। ওই টেবিলগুলিতে কাউন্টিং সুপারভাইজার বা সহকারী হিসাবে কমপক্ষে এক জন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্তেই আপত্তি তৃণমূলের। রাজ‍্য সরকারের কর্মী কেন থাকবে না তা নিয়েও আপত্তি রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার এই শুনানিতে কমিশনের আইনজীবী আদালতকে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী হলেই কারচুপি করা হবে, এমন অভিযোগ প্রমাণ ছাড়া করা যায় না। তাই এই মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন। কমিশনের দাবি কার্যত মেনে নিয়ে বিচারপতি মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিলেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন