Thursday, 8 October, 2026
8 October
HomeকলকাতাTMC: তৃণমূল আবার সরকারে ফিরবে! বার্তা মমতার

TMC: তৃণমূল আবার সরকারে ফিরবে! বার্তা মমতার

ক্যাথিড্রাল রোডে আয়োজিত এই মূল সভায় কর্মী-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় ও বিশাল জমায়েত দেখা যায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

রাজ্যে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার চার মাসের মধ্যেই ফের নবান্নে ফেরার জোরালো বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা নেত্রী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ক্যাথিড্রাল রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠাদিবসের জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, বিজেপি সরকারের অন্যায়ের জবাব তাদের লোকজনেরাই দেবে এবং খুব শীঘ্রই বঙ্গে তৃণমূল আবার ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করবে।

আরও পড়ুনঃ ‘মুড অফ দ্য নেশন’ সমীক্ষা; এখনই ভোট হলে ফের মোদী সরকার, তবে ক্ষয় হচ্ছে আসন, বড় চ্যালেঞ্জ জেন-জি

ছাত্র পরিষদ দিবসেও রাজপথে দুই তৃণমূলের পৃথক সভা

গত ২১ জুলাইয়ের মতোই ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসেও আড়াআড়ি বিভাজিত তৃণমূলের ছবি রাজপথে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে:

  • মমতা-অভিষেক (কালীঘাট) শিবির: ক্যাথিড্রাল রোডে আয়োজিত এই মূল সভায় কর্মী-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় ও বিশাল জমায়েত দেখা যায়।

  • ঋতব্রত (বিরোধী) শিবির: রানি রাসমণি রোডে পৃথক ম্যারাপ বেঁধে সভা করে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। তবে অনুগামী নেতা কোহিনুর মজুমদার ও সুদীপ রাহার দাবি, আদালতের বেঁধে দেওয়া লোকসংখ্যার নিয়ম মেনেই তাঁদের সমাবেশ সফল হয়েছে।

মঞ্চ থেকেই মমতার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশকে হুঁশিয়ারি

ক্যাথিড্রাল রোডের সভার একটি লেনে বাস, ট্রাক ও অ্যাম্বুল্যান্স আটকে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা ভেস্তে দিতে পুলিশ ইচ্ছা করে গাড়ি ঢুকিয়ে দিয়েছে—এই অভিযোগ তুলে তিনি ২৫ মিনিট বক্তৃতা বন্ধ রেখে নিজেই মাইক হাতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করেন।

পুলিশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সমালোচনা করে মমতা স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেন:

“পুলিশ আমাদের সভা-মিছিলের অনুমতি দিচ্ছে না। এর পর আমি জেলায় যাব। পুলিশ অনুমতি না-দিলে জনতার অনুমতি নিয়ে প্রোগ্রাম করব, দরকার হলে হাঁটব। দেখি তোমরা কী করো!”

আরও পড়ুনঃ সিবিআইকে ডেডলাইন কলকাতা হাইকোর্টের, দ্বিতীয় দফার তদন্ত তিন সপ্তাহে শেষ করতে হবে

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ড ও ‘বেইমান’ সাংসদদের বিরুদ্ধে সরব অভিষেক

মমতার পূর্বে বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল তাঁর ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুরসভা ও পুলিশের বেআইনি হোর্ডিং অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অত্যাচার ততটাই করো, যতটা সহ্য করতে পারবে।”

  • এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া দলত্যাগীদের আক্রমণ: দিল্লি গিয়ে এনসিপিআই-তে শামিল হওয়া ২০ জন সাংসদ এবং ঋতব্রত শিবিরকে প্রকাশ্যে ‘বেইমান’ বলে আক্রমণ করেন অভিষেক, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষেরা। তাঁদেরকে যেন আর কখনও দলে না ফেরানো হয়, সেই দাবি তোলা হয়।

  • কেন্দ্রীয় সংঘাত: দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়ার ঘটনাকে বাংলার রাজনীতিতে নিজেদের পক্ষে ইতিবাচক বলেই দাবি করে কালীঘাট নেতৃত্ব।

মমতাকে পাল্টা বিঁধলেন ফিরহাদ হাকিম

অন্য দিকে, রানি রাসমণি রোডের সমাবেশ থেকে বিজেপি-র বিরুদ্ধে মৃদু সমালোচনা করলেও মমতার নীতির কঠোর বিরোধিতা করেন প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ নেতা ফিরহাদ হাকিম। তিনি তোপ দেগে বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিনের পর দিন ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা বারবার বলা সত্ত্বেও কান দেননি, যার ফলে অ্যাডমিশন দালালরাই ছাত্রনেতা হয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছিল।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন