spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
Homeউত্তরবঙ্গMaldah: ডাকাতদের দ্বারা পূজিত হতেন মধ্যযুগে; মালদার এই মন্দিরে পুজো দিলেই নাকি...

Maldah: ডাকাতদের দ্বারা পূজিত হতেন মধ্যযুগে; মালদার এই মন্দিরে পুজো দিলেই নাকি পূরণ হয় মনস্কামনা!

আশপাশের এলাকা তো বটেই, দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা এই মন্দিরে ছুটে আসেন। বিভিন্ন প্রকার মনস্কামনা পূরণের জন্য এই মন্দিরে পুজোও দেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ইংরেজবাজার শহর থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে যদুপুর-২ গ্রামপঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর মৌজার জহুরাতলা কালীমন্দিরে মা অবস্থান করেন। জেলা মালদা।

মায়ের থান কত পুরোনো? লোকমুখে কথিত আছে সেনযুগে বল্লাল সেনের সময় থেকে এই জায়গায় মা কালী পূজিত হচ্ছেন। পুরোনো মূর্তিটি মুসলমান আমলে মাটির স্তূপে ঢেকে দেওয়া হয় আক্রমণ এড়াতে। মা বর্তমান মন্দিরে বর্তমান রূপে উপাস্য হচ্ছেন নবাবী আমল থেকে, প্রায় তিনশ বছর আগে এই অঞ্চলে ভগ্নদশাগ্রস্ত পুরোনো গৌড়ের গড়ে গজিয়ে ওঠা ঘন অরণ্যে সাধনা করতেন তেওয়ারী পদবীর এক কালীসাধক। তিনি জহুরা চণ্ডীর দিব্যদর্শন লাভ করে এখানে পুজো শুরু করেন, গড়ের চূড়ায় বিস্তৃত প্রাঙ্গণে বেদী স্থাপন করে জহুরা চণ্ডীমাতার উপাসনা শুরু হয়। যদিও মা আজ সর্বত্র জহুরা কালী নামেই পরিচিত।

আরও পড়ুনঃ সুকর্ম যোগে স্বাতী নক্ষত্র, পারিবারিক জীবনে সুখের জোয়ার এই চার রাশির

মায়ের মূর্তিকল্প কেমন? মা রক্তবর্ণা, লোলজিহ্বা, বরাহদন্তিকা, ত্রিনেত্রা, করালবদনা।

মায়ের মূর্তিটি মুসলমান আমলে মাটির স্তূপে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। পুনরায় পুজো যখন শুরু হল, ওই সিঁদুরমাখা মাটির স্তূপের ওপরে মায়ের তিনটি মুখ তৈরি করা হয়।

মায়ের তিনটি মুখ নিঃসন্দেহে তন্ত্রের ইড়া-পিঙ্গলা-সুষুম্নার দ্যোতনা বহন করে। এছাড়াও,  মায়ের তিনটি মুখ প্রাচীন বাঙালি অর্থাৎ গৌড়ীয় জাতির তিনটি প্রধান ভৌগলিক অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে: বরেন্দ্র, রাঢ়, বঙ্গ।

মায়ের এই নামের অর্থ – খুব সম্ভবত গৌড়কালী বা গৌড়চণ্ডী থেকে মধ্যযুগে জহুরাকালী বা জহুরাচণ্ডী নাম এসেছে।

মা জহুরা কালী ডাকাতদের দ্বারা পূজিত হতেন মধ্যযুগে। মনে রাখতে হবে মধ্যযুগে মুসলমান শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী মাত্রেই সরকারি বয়ানে ডাকাত আখ্যা পেত। ডাকাত শব্দটা এসেছে ডাক লুন্ঠন থেকে, সরকারি খাজনা এই ডাকমাধ্যমে পাঠানো হত, এবং সেটাকে লুট যারা করত, তাদেরই ডাকাত বলা হত। বাঙালি ডাকাতরা অনেকেই কালীপুজো করতেন, কাজেই জহুরাকালীও তাঁদের দ্বারা উপাস্য হবেন আশ্চর্য নয়।

আরও পড়ুনঃ আজ প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

মায়ের পুজো কখন? সারা বছরই মঙ্গল ও শনিবারে মায়ের পুজো হয়, কিন্তু বৈশাখ মাসের প্রথম শনি/মঙ্গলবার থেকে শেষ শনি/মঙ্গলবার অবধি মায়ের বাৎসরিক পুজোয় এখানে মহা ধুমধাম হয়, অগণিত মানুষের উপস্থিতিতে মহাসমারোহে উৎসব ও মেলা বসে। তবে মায়ের পুজোয় অন্নভোগ হয় না এখানে। বাতাসা, সন্দেশ আর জবাফুলেই মা সন্তুষ্ট হন।

কলকাতা থেকে রেলপথে মালদহ কিম্বা গৌড় মালদা স্টেশন পৌঁছে সড়কপথে পৌঁছানো যায় মা জহুরা কালীর মন্দিরে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন