প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর পালিত হয় International Men’s Day, যার লক্ষ্য সমাজে পুরুষদের ভূমিকা, অবদান ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো। ২০০৭ সাল থেকে ভারতে দিনটি পালন শুরু হলেও এটি এখনও জাতিসংঘ স্বীকৃত নয়। পুরুষদের স্বাস্থ্য, মানসিক সুস্থতা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং লিঙ্গ–সমতার বার্তা প্রচারের মধ্য দিয়ে দিনটি গুরুত্ব পায়। ২০২৫ সালের থিম—Celebrating Men and Boys।
বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর পালিত হয় ইন্টারন্যাশনাল মেনস ডে বা আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ভারতে এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু হয় ২০০৭ সালে, যদিও দিনটিকে এখনো জাতিসংঘের স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এই দিবসের উদ্দেশ্য—পুরুষদের সামাজিক ভূমিকা, পারিবারিক দায়িত্ব, স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং তাদের কল্যাণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি, লিঙ্গ-সমতার প্রসারেও দিনটির তাৎপর্য উল্লেখযোগ্য।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসের সূচনা হয় ১৯৯৯ সালে, যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধ্যাপক ড. জেরোম টিলাকসিংহ তাঁর পিতার জন্মদিনকে স্মরণ করে দিনটিকে বিশ্বব্যাপী পুরুষদের কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করার প্রস্তাব দেন। তাঁর উদ্যোগেই এই দিনটিকে পুরুষদের সমস্যা, ভূমিকা ও সামাজিক অবদানের আলোচনার মঞ্চ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ভারত ২০০৭ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এই দিন পালন করছে।
ইন্টারন্যাশনাল মেনস ডে–র মূল লক্ষ্য হলো—
- পুরুষদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য,
- সমাজে তাদের অবদান,
- কর্মক্ষেত্র থেকে পরিবার—বিভিন্ন পরিসরে তাদের সামনে থাকা বাস্তব চ্যালেঞ্জ—এসব বিষয়ে আলোকপাত করা।
এই দিন মনে করিয়ে দেয়, পুরুষেরাও মানসিক চাপ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং সামাজিক ধারণার মতো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। সবার জন্য বিকাশ-সমতা নিশ্চিত করতে পুরুষদের ভূমিকা ও প্রয়োজনগুলোকে সম্মান দেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুনঃ আগে এক্কেবারে সবুজ ছিল; ‘ভূতুড়ে’ গাছ? এল কোথা থেকে? পাকিস্তানে এ কি কাণ্ড!
আধিকারিক ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের থিম হলো—
ওয়েবসাইটের ভাষায়, আপনি যদি একজন বাবা, শিক্ষক, পরামর্শদাতা, স্বাস্থ্য–পেশাজীবী বা কমিউনিটির পুরুষদের নিয়ে কাজ করেন—এই উদযাপন আপনার জন্যই। প্রতিষ্ঠানটি সবাইকে অনুরোধ করেছে তাদের ঘোষিত নয়টি মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত হতে এবং পুরুষ ও বালকদের সম্মান, প্রেরণা ও কল্যাণে অংশ নিতে।
সচেতনতা ছড়ানো: পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সমাজে পুরুষদের অধিকার ও তাদের স্বাস্থ্য–কল্যাণ বিষয়ে আলোচনা করুন।
- অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ: বিভিন্ন শহরে ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্ত হতে পারেন।
- স্বেচ্ছাসেবায় অংশ নেওয়া: পুরুষদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা কল্যাণ নিয়ে কাজ করে এমন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।
- নিজেকে বদলানো: নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন, নিয়মিত ব্যায়াম বা অন্যকে সাহায্য করার মতো ইতিবাচক অভ্যাস শুরু করতে পারেন।
ইন্টারন্যাশনাল মেনস ডে আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পুরুষরা কেবল পরিবার বা কর্মক্ষেত্রেই নয়, সমাজ ও ব্যক্তিজীবনেও বহুমুখী ভূমিকা পালন করেন। তাই এই দিনটি শুধু উদযাপনের নয়, বরং বুঝে ও উপলব্ধি করে দায়িত্ব পালনেরও।









