কলকাতায় এসে দফায় দফায় বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই কালীঘাট মন্দিরের বাইরে হাতে কালো পতাকা নিয়ে জমায়েত করেছিলেন একদল বিক্ষোভকারী। জ্ঞানেশের গাড়ি সেখানে পৌছতেই, তাঁকে দেখে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান উঠতে শুরু করে। যদিও এর কোনও উত্তর দেননি, শান্ত মেজাজেই সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসেন কমিশনার।
এসআইআর ইস্যুতে নাম বাদের অভিযোগ তুলেই ক্ষোভ উগরে দিলেন বিক্ষোভকারীরা। প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও কেন নাম ডিলিট করা হচ্ছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে সেই প্রশ্নও তুলেছেন।
আরও পড়ুনঃ “আগে ভোটার, পরে ভোট” কলকাতার ২৬ নং ওয়ার্ডে CPI(M)-এর গর্জন
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পৌঁছানোর দিনেই প্রতিবাদে সোচ্চার হলো সিপিআই(এম)। ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন করানো যাবে না। এই দাবিতে কালো পতাকা হাতে কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন ভিআইপি রোডে সোচ্চার হলেন সিপিআই(এম) নেতা ও কর্মীরা।
তিনদিনের সফরে রবিবার রাতে কলকাতায় পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনার। সোম ও মঙ্গলবার দফায় দফায় বৈঠক করবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। রাজ্যের নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার কথা।
এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন সেখানে বিবেচনাধীনের তালিকায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে ৬০ লক্ষের বেশি না। বাদ ৫ লক্ষের বেশি নাম। যার মধ্যে রয়েছেন বহু প্রকৃত ভোটদাতারা।
আরও পড়ুনঃ ‘খেলা হবে’ ৯ লিখলেন ‘খেলা শেষ’! কৌশল বদলাচ্ছে তৃণমূল?
যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতির নামে শুনানিতে ডেকে হেনস্তা এবং নাম অনিশ্চিত রাখার প্রক্রিয়ার বিরোধিতা গোড়া থেকে করেছে সিপিআই(এম) সহ বামপন্থীরা। গত ৪ ও ৫ মার্চ সিইও দপ্তরের সামনে বামফ্রন্ট সহ বামপন্থী দলগুলি টানা বিক্ষোভ দেখায়।
আজ সোমবার রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকে বক্তব্য শোনার কথা নির্বাচন কমিশনের।
এদিন ভিআইপি রোডে সিপিআই(এম)’র বিক্ষোভে তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এসআইআর’র নামে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্তের।









