‘ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূল’
বলে বেশ বিতর্ক তৈরী করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার আরো কিছুটা নরম হয়ে বনসল বললেন, এবার বেছে তৃণমূলদের দলে নেওয়া যেতে পারে। এবার বঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল বললেন, কাউকে বিজেপিতে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাছবিচার যেন না করা হয়। কেন একথা বলছেন তিনি, সেই যুক্তিও দেন। বঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বললেন, কেউ নিজের স্বার্থে বিজেপিতে আসতে চান। কিন্তু, তাঁকে দলে নিয়ে যোগ্য কার্যকর্তা বানানোর বিজেপির দায়িত্ব। রবিবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান হয়।
আরও পড়ুনঃ ২০ জন নয়! কেন স্পিকারের চিঠিতে সবার সই নেই? ভূপেন্দ্রর বাড়ির বৈঠকে আসল অঙ্ক কী ছিল
সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ অন্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আর এই অনুষ্ঠানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুনীল বনশল বলেন, “কাজ করতে করতে আমাদের মনে অনেক সময় প্রশ্ন জাগে, আমরা বিজেপিতে কেন কাজ করছি? আমি অনেকবার কার্যকর্তাদের জিজ্ঞাসা করি, আপনি কেন বিজেপিতে? বিজেপিতে আছেন, কী কাজ করেন?”
আরও পড়ুনঃ “গুপ্তচরদের ডিজনিল্যান্ড”! ভেতর থেকেই সাহায্য ‘পুস্পাকে’! সর্ষের মধ্যে এখনো অনেক অনেক ভূত
এরপরই বিজেপিতে যোগদান নিয়ে সুনীল বনশল বলেন, “আমাদের কাছে সব ধরনের লোক আসবে। আসাও দরকার। একে নেওয়া উচিত, ওকে নেওয়া উচিত নয়, এরকম কোনও বার্তা দেওয়া ঠিক নয়। আমাদের সংগঠন এতটা মজবুত হওয়া দরকার যে, যিনিই আমাদের দলে আসবেন, তিনি আমাদের মতো হয়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন।”অনেকেই যে নিজের স্বার্থে বিজেপিতে আসতে চান, তা মেনে নিয়ে সুনীল বনশল বলেন, “কাউকে নেওয়ায় আপত্তি নেই। কিন্তু, ভাবনায় আপত্তি রয়েছে। যিনি আসছেন, তিনি নিজের স্বার্থেও আসতে পারেন। কিছু পাওয়ার আশায় আসতে পারেন। যিনি আসছেন, তাঁর চিন্তাভাবনা যেমনই হোক না কেন, আসার পর আমাদের সঙ্গে কাজ করতে করতে আমাদের বিচারধারা মেনে সারাজীবন যাতে কাজ করেন, তেমন তাঁকে তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব।”


