বিগত তৃণমূল সরকারের ছিল দুয়ারে সরকার শিবির। আর বর্তমান বিজেপি সরকার সেই ধাঁচেই নিয়ে এল জনকল্যাণ শিবির। এই শিবিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে চাইছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসন। এই শিবিরগুলিতে রাজ্য এবং কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের ফর্ম জমা নেওয়া হবে। আর আজ, ১৫ জুন থেকেই শুরু হচ্ছে এই শিবির। চলবে ১৭ জুন পর্যন্ত।
কেন জলকল্যাণ শিবির?
এই বিষয়টা খোলসা করে দিয়েছে সরকার। তাই ঝটপট এই শিবির খোলার কারণ জেনে নিন-
১. সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষকে দেওয়া।
২. বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা।
৩. একটি ক্যাম্পের মাধ্যমে একাধিক পরিষেবা দেওয়া।
৪. একাধিক প্রকল্পের ফর্ম ফিলআপ, রেজিস্ট্রেশন এবং ভেরিফিকেশনে সাহায্য করা।
আরও পড়ুনঃ লোকসভায় আসল তৃণমূলের মাস্টারস্ট্রোক?
কোথায় কোথায় জনকল্যাণ শিবির হবে?
- কর্পোরেশন এলাকায় প্রতিটি বোরো অফিসের ক্ষেত্রে একটি জনকল্যাণশিবির হবে।
- পুরসভা এলাকায় আবার নিয়ম আলাদা। এক্ষেত্রে ১০টি ওয়ার্ডের জন্য একটি শিবির করতে হবে। এছাড়া কোনও পুরসভায় ২৫টি ওয়ার্ড থাকলে ৩টি শিবির করা মাস্ট।
- গ্রামীণ এলাকায় আবার ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের জম্য একটি শিবির করা হচ্ছে। কোনও ব্লকে ৮টা গ্রাম পঞ্চায়ের থাকলে করতে হবে ২টি শিবির।
আরও পড়ুনঃ উত্তর অধরা, সব কিছুই প্রায় চূড়ান্ত, খবরটি কি ঠিক?
কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে?
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫২টি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-
- প্রতিটি শিবিরে আধার এনরোলমেন্ট কাউন্টার থাকবে।
- ব্যাঙ্কের জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টও খোলা যাবে।
- অন্নপূর্ণ যোজনার জন্য আলাদা কাউন্টার করা হচ্ছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের কর্মীরা। সেখানে ফর্ম ফিলআপে সাহায্য করা হবে।
- আয়ুষ্মান যোজনার জন্যও কাউন্টার করা হচ্ছে।
- কৃষকদের জন্য পিএম কিষান সম্মান নিধি, কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড, এগ্রিকালচার ইনফাস্ট্রাকচার
- ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য রয়েছে প্রধানমন্ত্রী জীবনজ্যোতি বীমা যোজনা, পিএম সুরক্ষা বীমা যোজনার সুবিধা দেওয়া হবে।
- অটল পেনশন যোজনার সুবিধা মিলবে।
- পিএম গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা, রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা, পিএম উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধা পাওয়া যাবে।
- নাগরিকত্বের জন্য আধার এনরোলমেন্ট, আধার সিডিং, সিএএ অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদির সুবিধা মিলবে।
- পড়ুয়াদের স্কলারশিপ পেতে সাহায্যকরা হবে।
এছাড়াও একাধিক কাজ হবে। তাই এই পরিষেবা নিয়ে চাইলে নিজেদের কাছের শিবিরে যেতেই পারেন।


