তাপস রায়-কুণাল ঘোষ-সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তিনজনের মধ্যে সম্পর্কের পারদ বারেবারে বেড়েছে। বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায় ২০২৪ সালে তৃণমূল ও সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) বিরুদ্ধে একরাশ তোপ দেগে দল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তাপসের সেই পদক্ষেপ নিয়ে সুদীপকে কম তোপ দাগেননি বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এমনকী তার জন্য সাসপেন্ডও হতে হয় তাঁকে। আর এবার তৃণমূলের খারাপ সময়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মমতার হাত ছাড়তেই ফের উত্তর কলকাতার তৃণমূল সাংসদকে বেনজির আক্রমণ কুণাল ঘোষের। এমনকী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তোপ দাগতে ছাড়লেন না তিনি।
আরও পড়ুনঃ তাহলে রইল বাকি…? তৃণমূলে ত্রাহিরব
সাংবাদিকদের সামনে কুণাল বলেন, “সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। শুধু ওমন একজন পরচুল ওয়ালা লোক নয়, তার সঙ্গে ভ্রাম্যমান বিউটি পার্লার পাওয়া যাবে। ফলে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। উনি একাধিক বার দল পরিবর্তন করেছেন। তবে, এই বিয়সে এসে অবাঞ্চছিত।” তিনি এও বলেন, “এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য-পাওনা এই ধরনের জিনিসপত্রকে মাথায় তুলে রেখেছিলেন। তাপস রায়কে চলে যেতে হল ওর জন্য। অথচ তাপস রায় দক্ষ নেতা। উনি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে কেঁদে-কেঁদে বলছেন আমায় উত্তর কলকাতার সভাপতি আবার করে দাও।”
এরপর ফের একবার পুরনো প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, “মানুষ হিসাবে ভাল তাপস রায়। আমি বলেছিলাম, তখন আমায় সাসপেন্ড করে দিয়েছিল। আজ দেখুন কে ভাল কে খারাপ। দুদিন আগেও ফোন করে বলেছি মমতার বাড়িতে সিআইডি গেছে তুমি কোথায়? আমায় বলল নয়না যাচ্ছে। তো নয়নাদি আর এখানে পৌঁছয়নি, সুদীপদা ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়ি পৌঁছে গেছে।”
আরও পড়ুনঃ আরও বিপদ অভিষেকের; আমফানের ত্রাণের ২৫০ কোটি টাকা চুরি!
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক করেছেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ অর্থাৎ শনিবার সেই তালিকায় নাম লেখান সুদীপ। বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে। তারপরই সুদীপকে আক্রমণ কুণালের।


