Thursday, 30 July, 2026
30 July
HomeদেশKarnataka: লাগামহীন যৌনতা! ঘুম উড়েছে মা-বাবার...

Karnataka: লাগামহীন যৌনতা! ঘুম উড়েছে মা-বাবার…

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার্থীদের জন্য এইচআইভি পরীক্ষা কখনোই বাধ্যতামূলক করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বেঙ্গালুরু:

কর্ণাটকের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী প্রায় ৭,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থী এইচআইভি (HIV) সংক্রামিত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বাধ্যতামূলক এইচআইভি পরীক্ষা চালানো হচ্ছে—সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এমন খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিল কর্ণাটক রাজ্য এডস প্রতিরোধ সংস্থা (KSAPS)। সরকারি তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আতঙ্কের কোনো কারণ নেই এবং রাজ্য সরকার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কোনো বাধ্যতামূলক পরীক্ষা চালু করা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ ‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে এইডসের সংক্রমণ! সতর্ক হোক আধুনিক জীবন, সতর্ক হোন আপনি

গুজব বনাম বাস্তব চিত্র: সম্প্রতি বেশ কিছু মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, রাজ্যের ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী নতুন করে এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছেন। এই খবরের পর অভিভাবক ও ছাত্রমহলে চরম চাঞ্চল্য ছড়ায়।

পরিস্থিতির সত্যতা স্পষ্ট করে কেএসএপিএস-এর প্রকল্প পরিচালক ড. নব্য এস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান:

  • প্রকৃত পরিসংখ্যান: রাজ্যজুড়ে গত পাঁচ বছরে (২০২০ থেকে ২০২৪) ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সের মধ্যে মাত্র ৫৮০ জন শিক্ষার্থীর এইচআইভি পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। ফলে ৭,০০০ শিক্ষার্থী আক্রান্ত হওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও কাল্পনিক।

  • পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার্থীদের জন্য এইচআইভি পরীক্ষা কখনোই বাধ্যতামূলক করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।

সচেতনতা শিবির ও এনএসিও (NACO) নির্দেশিকা: স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে তা মূলত যুবসমাজের মধ্যে এডস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, সঠিক তথ্য প্রদান এবং স্বেচ্ছায় শারীরিক পরীক্ষার (Screening) সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। National AIDS Control Organization (NACO)-র নির্দেশিকা অনুযায়ী, ব্যক্তিটির লিখিত বা স্পষ্ট সম্মতি (Informed Consent) এবং পরীক্ষা-পূর্ব ও পরবর্তী কাউন্সেলিং ছাড়া কাউকেই এইচআইভি পরীক্ষায় বাধ্য করা আইনত অপরাধ।

আরও পড়ুনঃ সামাজিক বা আর্থিক চাপ! কৌতূহল বা নতুন অভিজ্ঞতা চেষ্টা করা; ভুল ধারণা ভেঙে সঠিক বোঝাপড়া

গুজব ছড়ানোর প্রেক্ষাপট: ন্যাশনাল এডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের হিসাব অনুযায়ী, ভারতে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে কর্ণাটক বর্তমানে তৃতীয় স্থানে রয়েছে (প্রায় ২.৬ লক্ষ আক্রান্ত, যার মধ্যে ২.০৫ লক্ষ মানুষ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি নিচ্ছেন)। ‘৯৫-৯৫-৯৯’ বিশ্বজনীন লক্ষ্যমাত্রাকে (৯৫% আক্রান্তের স্ট্যাটাস জানা, ৯৫%-এর সঠিক চিকিৎসা ও ৯৯% ভাইরাস বিস্তার নিয়ন্ত্রণ) সামনে রেখে স্বাস্থ্য বিভাগ ও ইউজিসি (UGC) সময় সময় যে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করে, সেটিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই গুজবের সৃষ্টি হয়েছিল।

প্রশাসনের তরফ থেকে স্পষ্টভাবে আবেদন জানানো হয়েছে, কোনো রকম ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর খবরে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। সরকারের একমাত্র লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের সচেতন ও সুরক্ষিত রাখা, অহেতুক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা নয়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন