প্রতিবেশী রাজ্য বিহারে তৈরি হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্দির। তৃতীয় লিঙ্গের (ট্রান্সজেন্ডার) মানুষদের অধিকার রক্ষা ও সমাজে সম্মান প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদীর গৃহীত নানা উদ্যোগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এনডিএ (NDA) শাসিত বিহারে এই মন্দির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ট্রান্সজেন্ডার বোর্ড।
আরও পড়ুনঃ ভয়ঙ্কর বন্যার কবলে মৃত্যু মিছিল অসমে, তিন লক্ষের বেশি মানুষ ঘরছাড়া
বোর্ডের বৈঠক ও সিদ্ধান্তের বিবরণ: বিহারের পুরানো সচিবালয়ে অবস্থিত সমাজকল্যাণ দফতরে অনুষ্ঠিত ট্রান্সজেন্ডার বোর্ডের প্রথম বৈঠকেই সর্বসম্মতভাবে এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়। উল্লেখ্য, এটি ‘ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস (প্রোটেকশন অফ রাইটস) অ্যাক্ট, ২০১৯’ কার্যকর হওয়ার পর বোর্ডের প্রথম আনুষ্ঠানিক অধিবেশন ছিল।
-
স্থান ও ব্যয়ভার: বোর্ডের সদস্য রাজন সিং জানান, রাজ্যের রাজধানী পাটনাতেই এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হবে। রাজ্য সরকার জমি চিহ্নিতকরণ নিশ্চিত করার পরই মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে। মন্দির নির্মাণের যাবতীয় আর্থিক ব্যয়ভার রাজ্য সরকারই বহন করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
-
কমিউনিটির নিজস্ব মন্দির: রাজন সিং আরও জানান যে, এতদিন বিহারে ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের নিজস্ব কোনো নিবেদিত মন্দির ছিল না। ফলে এই উদ্যোগে সমস্ত সদস্যরা একযোগে সমর্থন জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ জনসনের বেবি পাউডারে ক্যানসারের বিষ! ৫৫০ কোটি ডলার দিতে সম্মত জনসন অ্যান্ড জনসন
অতীতে মোদী মন্দিরের বিতর্ক ও প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান: প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালেও গুজরাটের রাজকোটের কোঠারিয়া গ্রামে নরেন্দ্র মোদীর সমর্থনে একটি মন্দির নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে সে সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে এই ধরনের উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে মোদী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, ভারতীয় সংস্কৃতিতে মন্দির কেবল দেব-দেবীদের জন্যই নির্মাণ হওয়া উচিত, কোনো রাজনীতিকের নামে নয়।
তবে বিহারের এই উদ্যোগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


