Saturday, 12 September, 2026
12 September
HomeদেশJio: ৬০০ স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে JIO! স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে রিলায়েন্স জিও-র বড় পদক্ষেপ

Jio: ৬০০ স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাবে JIO! স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে রিলায়েন্স জিও-র বড় পদক্ষেপ

কৃষকেরা দ্রুত আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাবেন এবং ছাত্রছাত্রীরা ডিজিটাল ক্লাসরুমের সুযোগ পাবেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ প্রযুক্তি ও বাণিজ্য প্রতিনিধি:

ভারতের ডিজিটাল যোগাযোগ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। এবার স্যাটেলাইট ইন্টারনেট (Satellite Internet) পরিষেবায় আনুষ্ঠানিকভাবে পা রাখতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ টেলিকম সংস্থা রিলায়েন্স জিও (Reliance Jio)।

স্পেসএক্সের (SpaceX) ‘স্টারলিংক’ এবং অ্যামাজনের ‘কুইপার/লিও’ প্রজেক্টের সাথে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নেমে মহাকাশে প্রায় ১,৬০০টি স্যাটেলাইট মোতায়েন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুনঃ  শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গ জুড়ে বেহাল মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা; ব্যাহত ব্যাঙ্ক ও সরকারি কাজ, ক্ষুব্ধ সাধারণ গ্রাহক

জিও বনাম বৈশ্বিক সংস্থা: কক্ষপথ ও কারিগরি তুলনা

মহাকাশে স্যাটেলাইটের অবস্থান ও তার প্রভাব সংক্রান্ত মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

সংস্থা / প্রজেক্ট স্যাটেলাইটের অবস্থান (উচ্চতা) প্রযুক্তিগত প্রভাব ও কভারেজ
স্টারলিংক (Starlink) প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার অত্যন্ত নিম্ন কক্ষপথ (LEO); সিগন্যাল লেটেন্সি (Delay) কম হলেও কভারেজ এলাকা সীমিত।
জিও (Reliance Jio) প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার উচ্চতর কক্ষপথ; সিগন্যালের সামান্য বিলম্ব হতে পারে তবে একটি স্যাটেলাইট থেকে বৃহত্তর ভৌগোলিক এলাকা কভার করা সম্ভব।
অ্যামাজন লিও (Amazon) প্রায় ৬৩০ কিলোমিটার জিও-র প্রস্তাবিত কক্ষপথের অত্যন্ত কাছাকাছি।

আরও পড়ুনঃ  উত্তরপ্রদেশে বেহাল জিও নেটওয়ার্ক; ফতেহপুরে টাওয়ার কর্মীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

প্রকল্পের সময়সূচি ও দুর্গম এলাকায় সংযোগ

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজেক্টের বাস্তবায়নে প্রধান প্রধান সময়সীমা ও সুবিধাগুলি নিম্নরূপ:

  • পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ (Testing): আনুমানিক ২০২৭ সাল থেকে স্যাটেলাইটের প্রথম দফার পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ শুরু হতে পারে।

  • বাণিজ্যিক বিস্তার (Mass Deployment): ২০২৮ সালের শুরু থেকে ব্যাপক হারে কক্ষপথে স্যাটেলাইট মোতায়েনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • দুর্গম অঞ্চলে সুবিধা: পাহাড়, জঙ্গল, সীমান্তবর্তী বা দ্বীপঞ্চলের মতো এলাকা—যেখানে ফাইবার কেবুল বা মোবাইল টাওয়ার বসানো কঠিন, সেখানে সরাসরি মহাকাশ থেকে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে।

ডিজিটাল সমতা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হলে ভারতের গ্রামীণ ও দূরবর্তী অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অনলাইন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আসবে। কৃষকেরা দ্রুত আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাবেন এবং ছাত্রছাত্রীরা ডিজিটাল ক্লাসরুমের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, দেশীয় সংস্থার অংশগ্রহণ দেশের ডাটা সিকিউরিটি ও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও স্বস্তি দেবে।

তবে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ, মহাকাশ ট্রাফিক (Space Debris) নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (ITU) ও স্পেকট্রাম বরাদ্দের মতো প্রশাসনিক অনুমোদন নিশ্চিত করাই এখন জিও-র সামনে মূল চ্যালেঞ্জ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন