Saturday, 12 September, 2026
12 September
HomeদেশTMC: জোড়াফুল তুমি কার? ফ্রিজ হতে পারে ‘তৃণমূল’ নাম আর ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটাই!...

TMC: জোড়াফুল তুমি কার? ফ্রিজ হতে পারে ‘তৃণমূল’ নাম আর ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটাই! আজ সবার নজর দিল্লিতে

মূল দল হিসেবে কারা গণ্য হবে সেই বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী আদেশ বলবৎ থাকতে পারে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিনিধি, কলকাতা:

আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসন—নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে এবং বিজেপির প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে। তবে রাজ্য রাজনীতির নজর এখন নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর উপ-নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই জোড়াতালি ও বিতর্ক এড়াতে তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারের আইনি অধিকার কোন শিবিরের হাতে থাকবে, বা আদৌ থাকবে কি না, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আজ শনিবার এক গুরুত্বপূর্ণ শুনানি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ  স্নান না, ডিওডোরেন্টও না! গায়ের বোঁটকা গন্ধ নিয়েই অষ্টমীর ডেটে ঠাকুর দেখা? এবার দুর্গাপুজোয় জেন জি-দের নতুন ট্রেন্ড

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ

আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, শুনানি শেষে কমিশন মূলত তিন ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে:

ক্রমিক সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ব্যাখ্যা ও ফলাফল
প্রতীক ও নাম সাময়িক ‘ফ্রিজ’ ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং মূল ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে।
অস্থায়ী নাম ও প্রতীক বরাদ্দ দুই শিবিরকেই ভিন্ন দুটি সাময়িক নাম এবং নির্বাচন কমিশন স্বীকৃত নতুন দুটি পৃথক প্রতীক বরাদ্দ করা হতে পারে।
চূড়ান্ত নিষ্পত্তি পর্যন্ত স্থগিতাদেশ মূল দল হিসেবে কারা গণ্য হবে সেই বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী আদেশ বলবৎ থাকতে পারে।

আরও পরুনঃ  শিগগিরই এই অঞ্চলে ৭.৮ মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হতে পারে! সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে আতঙ্কে মানুষ

অতীতে নির্বাচন কমিশনের নজির: শিবসেনা ও এনসিপি মামলা

রাজনৈতিক দল ভেঙে যাওয়ার পর প্রতীক নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অতীত পদক্ষেপের দুটি উদাহরণ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক:

  • শিবসেনা বিতর্ক (মহারাষ্ট্র, ২০২২-২৩):

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে একনাথ শিন্ডে শিবির মূল শিবসেনার দাবিতে কমিশনের দ্বারে উপস্থিত হয়। ওই বছরের অক্টোবরে আন্ধেরি ইস্ট উপ-নির্বাচনের আগে কমিশন পার্টি নাম ও ‘তীর-ধনুক’ প্রতীক সাময়িকভাবে ফ্রিজ করে দেয়। শিন্ডে শিবিরকে ‘দুই তরবারি ও ঢাল’ এবং উদ্ধব ঠাকরে শিবিরকে ‘জ্বলন্ত মশাল’ প্রতীক দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আইনি পর্যালোচনার পর শিন্ডে শিবিরকে প্রকৃত শিবসেনার স্বীকৃতি ও মূল প্রতীক প্রদান করা হয়।

  • এনসিপি বিতর্ক (মহারাষ্ট্র, ২০২৩-২৪):

    ২০২৩ সালের জুলাইয়ে অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী এনসিপি-র ওপর অধিকার দাবি করে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। রাজ্যসভা ও লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীকে ‘এনসিপি-শরদচন্দ্র পাওয়ার’ নাম এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রতীক হিসেবে ‘শিঙ্গা ফুঁকছে এক ব্যক্তি’ প্রতীক বরাদ্দ করে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের আজকের শুনানির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার রূপরেখা তৈরি হবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন