Monday, 14 September, 2026
14 September
HomeদেশNight Life: গেস্টহাউস যেন কুকীর্তির আখড়া; রাত নামলেই স্বল্পবসনাদের ভিড়, অবাধ যৌনতা

Night Life: গেস্টহাউস যেন কুকীর্তির আখড়া; রাত নামলেই স্বল্পবসনাদের ভিড়, অবাধ যৌনতা

পুলিশ পৌঁছানোর পরপরই গেস্ট হাউসের মালিক এবং কয়েকজন কর্মী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

বিহারের রাজধানী পাটনার রাজীব নগর থানা এলাকায় একটি গেস্ট হাউসের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলা বেআইনি মধুচক্রের পর্দাফাঁস করল পুলিশ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চারজন তরুণী এবং এক যুবকসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ধৃত যুবক এই চক্রের অন্যতম মূল পান্ডা। তরুণীদের জোরপূর্বক এই ব্যবসায় নামানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মন্দারমণির রিসর্টে হানা দিয়ে মধুচক্রের পর্দাফাঁস; উদ্ধার ৮ তরুণী, গ্রেপ্তার ৩ যুবক

অভিযান ও পুলিশি তদন্তের রূপরেখা

ঘটনার স্থান, প্রশাসনিক পদক্ষেপ এবং উদ্ধারকৃত আলামতের প্রধান দিকগুলি নিচে তুলে ধরা হলো:

বিষয় ও ক্ষেত্র তদন্তের তথ্য ও প্রশাসনিক বিবরণ
ঘটনাস্থল রাজীব নগর থানা এলাকা, পাটনা (বিহার)।
অভিযান পরিচালনায় এসডিপিও (SDPO) সুষমা সাগরের নেতৃত্বে বিহার পুলিশের বিশেষ দল।
গ্রেপ্তার ও তল্লাশি ১ জন মূল অভিযুক্ত ও ৪ জন তরুণী গ্রেপ্তার; ৪ তলা ভবনের প্রতিটি ঘর থেকে আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধার।
বর্তমান স্থিতি গেস্ট হাউসের মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা পিছনের দরজা দিয়ে পলাতক; তাঁদের সন্ধানে তল্লাশি জারি।

আরও পড়ুনঃ  এআই কি সত্যি মানুষকে হত্যা করবে? আশঙ্কায় সায় অ্যানথ্রপিকের সিইও-র

দীর্ঘ নজরদারি ও আইনি পদক্ষেপ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজীব নগরের ওই চার তলা গেস্ট হাউসটিতে গভীর রাতে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আনাগোনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল। প্রায় দুই মাস ধরে এলাকাটিতে গোপন নজরদারি চালানোর পর শনিবার রাতে নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ দল গঠন করে এই তল্লাশি চালানো হয়।

তদন্তকারী আধিকারিক এসডিপিও সুষমা সাগর জানান, পুলিশ পৌঁছানোর পরপরই গেস্ট হাউসের মালিক এবং কয়েকজন কর্মী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পলাতক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সাথে এই চক্রের সঙ্গে কোনো মানব পাচার (Human Trafficking) বা অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক যুক্ত রয়েছে কি না, তা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে বিহার পুলিশ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন