প্রতারণা ও জমি দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ অর্থাৎ আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। খোঁজ না মেলায় এখনও সুমিত অধরা। তল্লাশি অভিযানের পর আরও কড়া পদক্ষেপ আধিকারিকদের। শালবনি থানাতে সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি ও জমি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা হয়।
২০২২-এ কয়লা পাচার মামলাতেও উঠে আসে এই সুমিত রায়ের নাম। কয়লা-কাণ্ডের মামলায় মূল সাক্ষী হিসেবে ছিল তাঁর নাম। ওই মামলায় তাঁকে একাধিকবার তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কলকাতার স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সুমিত ও অভিষেক একই সঙ্গে পড়াশোনা করেছেন বলে জানা যায়। পরে এমবিএ করতে অভিষেক পাড়ি দেন দিল্লি। আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় কলকাতাতেই এমবিএ করেন সুমিত। সহপাঠী হওয়া সত্ত্বেও অভিষেককে ‘স্যর’ বলেই ডাকেন সুমিত।
আরও পড়ুনঃ আফ্রিকায় পৌঁছোল এই স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম! কেনিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির আইকন এই ভারতীয় বিপ্লবী
অভিষেকের সমস্ত কাজের দেখভাল করতেন। গত শনিবার সুমিতের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, সুমিতের মোবাইলের শেষ ‘টাওয়ার লোকেশন’ ছিল অভিষেকের বাড়িতেই। সেই সূত্র ধরে রাত ৩টে নাগাদ পুলিশ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় পৌঁছে যায়। ডাকাডাকিতে কেউ সাড়া না দিলে ভাঙা হয় বাড়ির বাইরের দরজার তালা। তবে সুমিতের খোঁজ মেলেনি। সকাল ৮টার পর পুলিশ বেরিয়ে যায় অভিষেকের বাড়ি থেকে।
আরও পড়ুনঃ লোকসভায় আসল তৃণমূলের মাস্টারস্ট্রোক?
এখনও পর্যন্ত সুমিতের খোঁজ না মেলায় এবার তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল পুলিশ। এদিকে, রবিবারই সাড়ে ৮ ঘণ্টা সিআইডি জেরার মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক। কুণাল ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হয়। সোমবার আবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছে। এখন ইডির জেরার মুখে তিনি। এরই মধ্যে আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হল অভিষেকের।


