Friday, 31 July, 2026
31 July
Homeদক্ষিণবঙ্গRishra: রিষড়ায় গ্যাংয়ের স্টাইলে ভাড়া ফ্ল্যাটে বসে সাইবার চক্র, পুলিশের জালে ৯...

Rishra: রিষড়ায় গ্যাংয়ের স্টাইলে ভাড়া ফ্ল্যাটে বসে সাইবার চক্র, পুলিশের জালে ৯ জালিয়াত

প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১৭ লক্ষ টাকার আর্থিক তছরুপের তথ্য সামনে এসেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

জামতারা গ্যাংয়ের কায়দায় ভাড়া ফ্ল্যাটকে ডেরা বানিয়ে দেশজুড়ে কোটি কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা! অবশেষে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের হাতে পর্দাফাঁস হলো এই আন্তঃরাজ্য জালিয়াত চক্রের। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে বুধবার রাতে হুগলির রিষড়া থানা এলাকার তিনটি ভাড়া ফ্ল্যাটে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৯ জন অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একাধিক ভিন রাজ্যের বাসিন্দাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়ি কলেজে ভর্তি-অশান্তি; অভিযুক্তের জামিন পেতেই আদালত চত্বরে চরম হাতাহাতি, আক্রান্ত তৃণমূল যুব নেতা

বিপুল পরিমাণ মোবাইল ও ডেবিট কার্ড বাজেয়াপ্ত: বৃহস্পতিবার সকালে রিষড়া থানায় আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে শ্রীরামপুরের ডেপুটি কমিশনার (DC) অর্ণব বিশ্বাস এই সাফল্য ও অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

ধৃতদের কাছ থেকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে:

  • ২১টি মোবাইল ফোন

  • ১৬টি ডেবিট কার্ড

  • ৩টি ব্যাংকের পাসবই ও ৩টি চেকবই

  • ১টি মেট্রো কার্ড

আরও পড়ুনঃ “সরকার বদলে দেব”; কড়া হুমকি CJP প্রধানের

যেভাবে চলত প্রতারণার ছক: পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তেরা গত কিছুদিন ধরে রিষড়ার তিনটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে আস্তানা গেড়েছিল। সেখান থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফোন ছড়িয়ে দিয়ে ‘জামতারা গ্যাং’-এর কায়দায় সাধারণ মানুষকে নিশানা করত। কখনও বাম্পার লটারির প্রলোভন, আবার কখনও অনায়াসে সহজ শর্তে ঋণ (Loan) পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফাঁদে ফেলা হতো উপভোক্তাদের। এরপর মিষ্টি কথায় বিশ্বাস জন্মিয়ে টাকা হাতানো হতো এবং মুহূর্তে সেই টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে পাচার করা হতো।

এনসিআরবি পোর্টালে মিলল ৩৩টি অভিযোগের লিঙ্ক: ডেপুটি কমিশনার অর্ণব বিশ্বাস জানান, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর (NCRB) প্রাথমিক তথ্য ও লিঙ্ক অনুযায়ী ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ৩৩টি প্রতারণার অভিযোগের সঙ্গে এই চক্রের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এখন পর্যন্ত প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১৭ লক্ষ টাকার আর্থিক তছরুপের তথ্য সামনে এসেছে।

তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ: বাজেয়াপ্ত করা ২১টি মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর ‘ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টাল’ (NCRP)-এ জমা দেওয়া হয়েছে, যাতে ফোনগুলি চুরি করা কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়। দেশের যে যে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় এদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, সেই সব থানার পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে চন্দননগর কমিশনারেট।

ধৃত ৯ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। রিষড়ার এই ডেরার পেছনে স্থানীয় কেউ মদত দিচ্ছিল কি না এবং এই চক্রের শিকড় আরও কতদূর ছড়িয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন