নববর্ষের প্রথম দিন মানেই নতুন আশার আলো, নতুন স্বপ্নের সূচনা। তাই ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন মন্দিরে চোখে পড়ার মতো ভিড়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভক্তরা পৌঁছে গেছেন পুজো দিতে- নতুন বছরে সাফল্য, শান্তি, শক্তি ও সুস্থতা কামনা করতে।
দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট, লেক কালীবাড়ি থেকে শিবমন্দির, রাধাকৃষ্ণ মন্দির —সব জায়গাতেই ছিল সকাল থেকেই শোনা যাচ্ছে ঘণ্টাধ্বনি, আরতি। ‘পুরো বছরটা ভালো যাক’ এই প্রার্থনা নিয়েই মন্দির চত্বরে ভক্তদের ঢল। কেউ আবার সন্তানের পড়াশোনা, কারও চাকরি, কারও ব্যবসার উন্নতি- নিজস্ব ইচ্ছে-প্রার্থনা নিয়ে ঈশ্বরের সামনে মাথা নত করেছেন।
আরও পড়ুনঃ স্মার্টফোনের ভিড়ে হারিয়েছে শৈশব, বাংলা নববর্ষে স্মৃতি হাতড়াচ্ছে বাঙালি
কচিকাঁচাদের হাত ধরে এসেছেন বাবা–মায়েরা। নতুন পোশাক পরে ছোটদের উচ্ছ্বাস, মন্দিরে প্রসাদ নেওয়ার আনন্দ- সব মিলিয়ে ছিল উৎসবের আবহ। অনেকেই আবার প্রথম দিনের পুজো সেরে বাড়িতে বিশেষ প্রাতঃরাশ বা ভোজের আয়োজনের কথাও জানিয়েছেন।
পুজো দিতে আসা ভক্তদের ভিড় সামলাতে মন্দির কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদেরও দেখা গেল যথেষ্ট সক্রিয়। ফুল, ধূপ, প্রসাদের দোকানগুলিতেও ছিল বাড়তি ভিড়। সকাল থেকে ‘শুভ নববর্ষ’ শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে মন্দির চত্বর।
আরও পড়ুনঃ ২৪ এর গরম ২৬-এ! বিকেলের দিকেই আজ স্বস্তির বৃষ্টি
পয়লা বৈশাখের বিকেলেও অনেকের বেরনোর প্ল্যান থাকে। দোকানে দোকানে গিয়ে হালখাতা, মিষ্টিমুখ, আরও কত কী। কিন্তু আবহাওয়ার পূর্বাভাস সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পারে।
কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমানে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় এবং ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। একইসঙ্গে গরম ও আর্দ্রতার দাপটও থাকবে চড়া।



