Saturday, 25 April, 2026
25 April
HomeকলকাতাWB Election: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, লড়াই হবে সেয়ানে-সেয়ানে; পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের চুলচেরা বিশ্লেষণ

WB Election: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, লড়াই হবে সেয়ানে-সেয়ানে; পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের চুলচেরা বিশ্লেষণ

আগামী ৪ মে ইভিএম খুললেই জানা যাবে বাংলার জনতা জনার্দন শেষ পর্যন্ত কার মাথায় রাজতিলক পরালেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২৯২টি আসনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষা (দুটি আসনে ভোট স্থগিত)। ম্যাজিক ফিগার বা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৭টি আসন। বিভিন্ন সংস্থার দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, লড়াই এতটাই সমানে-সমানে যে কোনও একটি নির্দিষ্ট দলের দিকে পাল্লা ভারী বলা কঠিন।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল অনুযায়ী, আগামী মে যখন ফলাফল প্রকাশিত হবে, তখন পাল্লা কোন দিকে ভারী থাকবে তা নিয়ে যথেষ্ট ধন্দ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এক দলের আধিপত্য রাষ্ট্রের জন্যে কতটা খারাপ?

ম্যাজিক ফিগার ১৪৭ হলেও, অধিকাংশ সমীক্ষাই বলছে লড়াই হবে সেয়ানেসেয়ানে।  

বেশ কিছু নামী সমীক্ষক সংস্থা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।  

ETG Research-এর মতে, তৃণমূল ১৬৯টি আসন পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে। Times Now-CVoter, ABP-CVoter এবং P-Marq—এই তিনটি সংস্থাই তৃণমূলকে ১৫৮টি আসন দিয়ে ম্যাজিক ফিগার পার করার ইঙ্গিত দিয়েছে। Ipsos ১৫০টি এবং Pollstrat ১৪৭টি আসন দিয়ে তৃণমূলকে সরকার গড়ার দোরগোড়ায় রেখেছে।

আরও পড়ুনঃ আজ সন্ধ্যা ৬টার পরেই ঝুলে যাবে তালা! বিধিনিষেধ জারি

অন্যদিকে, বেশ কিছু সংস্থা আবার রাজ্যে বড়সড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের জন্য সবথেকে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে India TV, তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি ১৯২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় পেতে পারে।  

Jan Ki Baat-এর সমীক্ষায় বিজেপিকে ১৭৪টি আসন দেওয়া হয়েছে। India Today – Axis My India বিজেপিকে ১৪৭টি আসন দিয়ে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী করে তুলেছে। Republic-CNX-এর মতে বিজেপি ১৪৩টি আসন পেতে পারে, যা তৃণমূলের (১৩৩) তুলনায় বেশি।

সবকটি সমীক্ষার গড় বা ‘Poll of Polls’ এক অত্যন্ত নাটকীয় মোড় তুলে ধরেছে। এই হিসেবে তৃণমূল ১৪১ এবং বিজেপি ১৩৮। অর্থাৎ, কোনও পক্ষই এককভাবে ম্যাজিক ফিগার ১৪৭ স্পর্শ করতে পারছে না।

এমতাবস্থায় বামকংগ্রেস জোটের সম্ভাব্য ১৩ থেকে ১৯টি আসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

যদি কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তবে সরকার গঠনে এই জোটের ভূমিকা হবে নির্ণায়ক।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সবসময়ই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পরিচিত। এক্সিট পোলের ট্রেন্ড বলছে, কিছু জায়গায় যেমন শাসক বা বিরোধী দলের শক্ত ঘাঁটি অটুট রয়েছে, তেমনই অনেক গুরুত্বপূর্ণ আসনে লড়াই হচ্ছে মিলিমিটারের ব্যবধানে। চূড়ান্ত ফলাফল কী হবে, তা মূলত নির্ভর করছে এইটাইটবা ঘনিষ্ঠ লড়াই হওয়া আসনগুলোর ওপর।  

বুথফেরত সমীক্ষা সবসময় সঠিক হয় না, এটি জনমতের একটি সম্ভাব্য প্রতিফলন মাত্র। এর আগেও অনেক নির্বাচনে দেখা গিয়েছে যে আসল ফলাফল এক্সিট পোলের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে।   

তবে একটি বিষয় পরিষ্কার, বাংলার মানুষ অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।  আগামী মে ইভিএম খুললেই জানা যাবে বাংলার জনতা জনার্দন শেষ পর্যন্ত কার মাথায় রাজতিলক পরালেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন