ভিন্ন রাজ্য থেকে সল্ট লেক নিউ টাউনের বেশ কিছু আবাসনে এক দল অচেনা অজানা ব্যক্তিরা উঠে এসে থাকছে।
কলকাতা পুলিশ এগুলো জানে। তদন্ত চলছে। তবে তারা অনেক দেরি করে দিলো। আমরা অনেক আগেই এগুলো বলেছি যে হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ভোটে জেতার জন্যে এখন কোথায় কোথায় টাকা ঢালা হচ্ছে? সস্তার রাজনীতি করতে গিয়ে আছোলা বাঁশ না হয়ে যায়!
আপনাদেরকে বলছি, দেখে শুনে ক্যাব-এ উঠবে যারা ক্যাব-এ যাতায়াত করুন। দরকার পড়লে ডিকি খুলিয়ে চেক করিয়ে তারপরই উঠবেন।
বার পাব শপিং মলের মালিকদেরও উচিত যথারীতি নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে খেয়াল রাখার।
এই রাজ্যতে কোনো মতেই দা*ঙ্গা হিংসা সন্ত্রা*স ছড়াতে দেওয়া যাবে না।
কিছু কিছু এলাকায় সমস্যা আছে বা ঝামেলা হয় প্রতি নির্বাচনেই জানি কিন্তু সব মিলিয়ে যেন কোনো বড় ধরণের ঘটনা না হয়, তার জন্যে ছোট ছোট ঘটনা গুলো যাতে না হয় সেদিকটা নজর দিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ আরও এক সঙ্কট, রান্না করার তেল পাওয়া যাবে না ক’দিন
এমনিতেও পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী এবং বাংলাদেশের বেশ কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী অর্থাৎ স্লীপের সেলও একটিভ হয়েছে আগের থেকে।
তাই নিরাপত্তা বাড়ানোর দরকার যদি প্রয়োজন মনে করে নির্বাচন কমিশন।
আবারও বলছি ফেক নিউজ থেকে দূরে থাকুন।
দিন শেষে ক্ষতি আপনার ও আপনার পরিবারের। কোনো নেতা মন্ত্রী থাকবে না শান্তনা আর টাকা দেওয়া ছাড়া।



