এবার ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাই লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের। দু’দফায় সেভাবে অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভোটগণনায় অশান্তির আশঙ্কা করছেন দিলীপ ঘোষ। নাম না করে তৃণমূল নেতৃত্বকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ কোন কিছুতেই আর হচ্ছে না কাজ, সুপ্রিমে ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা খেল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল
দিলীপ ঘোষ বলেন, “কাউন্টিংয়ের দিন গন্ডগোল করতে পারে। এখানেও একটা ডোনাল্ড ট্রাম্প আছেন। দরকার হলে কাউন্টিং বন্ধ করে দিতে পারেন। বোমা মেরে দিতে পারেন। কারণ, হার মেনে নেওয়া মুশকিল। যারা খুব স্বৈরাচারী হন, তারা হার মেনে নিতে পারেন না।” কাকে খোঁচা দিলেন দিলীপ ঘোষ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তৃণমূল আবার পালটা দিলীপ ঘোষকে খোঁচা দিয়েছেন। শান্তনু সেন বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক কেমন, তা সকলেই জানেন। ট্রাম্পের মুখের উপর তিনি কিছু বলতে পারেন না। দিলীপ ঘোষ বিজেপিকে বেশ কিছুদিন কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। সে কারণেই পরোক্ষে খোঁচা দিলেন দিলীপবাবু।”
আরও পড়ুনঃ ‘প্রেসিডেন্ট’ হওয়ার মতো ট্রাম্প ‘মানসিকভাবে যথেষ্ট স্থিতিশীল’!
বলে রাখা ভালো, ভোট গণনায় কারচুপি রুখতে কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের বন্দোবস্ত করেছে বিজেপি। অবিভক্ত মেদিনীপুরের ৩৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী, এজেন্ট এবং বিজেপি নেতাদের নিয়ে মেচেদার একটি গেস্ট হাউসে বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ,দিব্যেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ভূপেন্দ্র যাদব, জে পি রাঠোর, সুনীল বনশল,অমিত মালব্য-সহ ৩৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী। বৈঠক শেষে ভোটগণনায় অশান্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ। বৈঠক শেষে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা তৃণমূলের মামলা নিয়ে মুখ খোলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদেরই গণনায় কাজে লাগানোর বিরোধিতায় তৃণমূলের মামলায় আইনজীবী কপিল সিব্বল। সরকারে এসে জানতে চাইব তাঁকে কত টাকা দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলকেই জনগণ খারিজ করে দিয়েছে। মামলা আর নতুন কী?”


