Monday, 4 May, 2026
4 May
HomeকলকাতাBhawanipore: মমতাকে হারালেই BJP-র ‘লেজেন্ড’ শুভেন্দু! ভবানীপুরে বাজিমাত কার? 

Bhawanipore: মমতাকে হারালেই BJP-র ‘লেজেন্ড’ শুভেন্দু! ভবানীপুরে বাজিমাত কার? 

কলকাতা পুরনিগমের আটটি ওয়ার্ড পড়ছে ভবানীপুর বিধানসভা আসনের মধ্যে - ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

নিজের পাড়া, নিজের বিধানসভা – ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ভবানীপুর যতটা ‘কেকওয়াক’ হওয়ার কথা ছিল, তা মোটেও এবার নেই। আর সেটার নেপথ্যে আছেন শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর প্রচার কৌশল। পাঁচ বছর আগে নিজের ডেরা নন্দীগ্রামে মমতাকে হারানোর পরে শুভেন্দুর মধ্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস কাজ করছে। সেইসঙ্গে তাঁর হারানোরও কিছু নেই। সবমিলিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনে এবার এখানে সেয়ানে-সেয়ানে লড়াই হয়েছে। শেষপর্যন্ত ভবানীপুরে শেষ হাসি কে হাসবেন? ভোটগণনার যাবতীয় লাইভ আপডেট দেখে নিন।

ভবানীপুর শুভেন্দুর জন্য ‘উইন-উইন সিচুয়েশন’। যদি মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়ে জিতে যান, তাহলে বঙ্গ বিজেপিতে তাঁকে ছোঁয়ার মতো কোনও নেতা থাকবেন না। আবার হেরে গেলেও বলতে পারবেন যে দেখুন, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় ঢুকে লড়াই করে এসেছি। সেই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছি।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভবানীপুরে ইভিএমের গণনা হবে মোট ২০ রাউন্ড

আরও পড়ুনঃ মমতার রাশিফল কী ইঙ্গিত দিচ্ছে? নির্বাচন ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

— তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে সর্বধর্ম সমন্বয় ও উন্নয়নের উপরেই জোর দিয়ে প্রচার করেছেন। প্রচার-পর্বের একেবারে শেষদিকেই মূলত কর্মসূচি করেছেন। তাঁর কেন্দ্রে অনেকটা সময় দিয়েছেন বরং ফিরহাদ হাকিম।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার-পর্বে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু আগাগোড়া চড়া হিন্দুত্বের উপরে জোর দিয়েছেন। প্রচারের প্রথম দিন হোক বা মনোনয়নপত্র জমা দেওযা হোক বা প্রচারের শেষ দিন হোক- শুভেন্দু হিন্দুত্বের উপরে গুরুত্ব আরোপ করে মূলত ‘মিনি ইন্ডিয়া’ হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরের অবাঙালি হিন্দু ভোটারদের (গুজরাটি, রাজস্থানি, মারোয়ারি) ভোট টানার চেষ্টা করেছেন।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি ৭৩,৫০৫ ভোট পেয়েছিলেন (৫৭.৭১ শতাংশ)। আর বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ পেয়েছিল ৪৪,৭৮৬ ভোট। অর্থাৎ ২৮,৭১৯ ভোটে জিতেছিলেন শোভনদেব। কিন্তু নন্দীগ্রামে হেরে যাওয়ায় মমতাকে ভবানীপুর আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন বর্ষীয়ান নেতা।

আরও পড়ুনঃ দুপুরের মধ‍্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে আগামী পাঁচ বছর কাদের হাতে পশ্চিমবঙ্গ, প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন?

তারপর ভবানীপুরে উপ-নির্বাচন হয়। সেখানে রেকর্ড ৫৮,৮৩২ ভোটে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে হারিয়ে দিয়েছিলেন মমতা। সেই জয়ের পরে তিনি বলেছিলেন, ‘ভবানীপুরে ভোটারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। এবার ১.১৫ লাখের মতো ভোট পড়েছে। আমরা ৫৮.৮৩২ ভোটে জিতেছি।’

কলকাতা পুরনিগমের আটটি ওয়ার্ড পড়ছে ভবানীপুর বিধানসভা আসনের মধ্যে – ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই ভবানীপুরে বিজেপির শক্তি বেড়েছে। এমনকী গত লোকসভা ভোটে তো মমতার নিডের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে লিড পায়নি তৃণমূল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন