Wednesday, 6 May, 2026
6 May
Homeউত্তরবঙ্গTMC: ‘আমরা চাকর ছিলাম’, বিস্ফোরক পাপিয়া

TMC: ‘আমরা চাকর ছিলাম’, বিস্ফোরক পাপিয়া

তাঁর মতে, বাংলার সাধারণ মানুষ তৃণমূলের মতো দলকে প্রত্যাখ্যান করেনি। প্রত্যাখ্যান করেছে দাম্ভিক, অহংকারী নেতাদের।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

হারতেই তৃণমূলের অন্দরে শুরু দোষারোপের পালা। ক্ষোভ উগরে দিলেন শিলিগুড়িতে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভানত্রী পাপিয়া ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, “তৃণমূলে আমরা ছিলাম চাকর। তাই এমন হওয়ার ছিল। গত ৫ বছরে দল চলেছে শুধু-মালিক আর চাকর হিসাবে। আমাদের কাজ ছিল চাকর হয়ে নির্দেশ মানা।” এবার উত্তরবঙ্গেও রীতিমতো ভরাডুবি হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। এমতাবস্থায় তৃণমূলের দাপুটে নেত্রীর মন্তব্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আঙিনায়।

আরও পড়ুনঃ ইস্তফা দিতে চান না ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতা! বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর

পাপিয়া দেবী বলছেন, ২০২১ থেকে ২০২৬, এই পাঁচ বছর দল আর আগের মতো সিস্টেমে চলেনি। কোথাও যেন মনে হয়েছে গোটা দলটাই মালিক আর চাকরের হয়ে গিয়েছে। এই সময়কালে সিন্ডিকেট-রাজ মারাত্মকভাবে বেড়ে গিয়েছে। আমাদের তো কথা বলার জায়গাই ছিল না। যে এজেন্সি এসেছিল তাঁদের হয়তো যাঁরা মিষ্টির প্যাকেট দিতে পারতেন তাঁদের কথা উপরে যেত। তাঁর মতে, বাংলার সাধারণ মানুষ তৃণমূলের মতো দলকে প্রত্যাখ্যান করেনি। প্রত্যাখ্যান করেছে দাম্ভিক, অহংকারী নেতাদের।

আরও পড়ুনঃ “বুমেরাং!” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি আজ তাঁর নিজের দিকেই ফিরছে; বাঙালি নিজের ক্ষমতা বুঝে নিচ্ছে!

এরইমধ্যে দল হারতেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন শিলিগুড়িতে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অত্রিদেও শর্মা। তাঁর দাবি, শওকত, জাহাঙ্গিরের মতো অপরাধীদের বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। মানুষ এসব ভালোভাবে নেয়নি। আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “আইপ্যাকের হাতে অসীম ক্ষমতা ছিল। রাজ্যস্তরের নেতারা কিছুই করতে পারছিল না। সব এদের মাধ্যমে হচ্ছিল। ফলে কোনও কিছুই সংগঠিতভাবে ছিল না। সবার দম্ভ দেখে মনে হয়েছিল আমরা যেভাবে চাইব সেভাবেই নির্বাচন হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচেষ্টায়, নির্বাচন কমিশনের তীক্ষ্ণ নজরে আমরা আমাদের মতো ভোট করাতে পারিনি।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন