রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন। তিরবন্তপুরম থেকে দিল্লি যাচ্ছিল ট্রেনটি। পথে মধ্যপ্রদেশের রতলমের কাছে আগুন ধরে যায় ট্রেনটিতে। দাউদাউ করে জ্বলে যায় বি-১ কোচ। সূত্রের খবর, জানলা ভেঙে ইতিমধ্যেই ৬৮ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জ্বলন্ত কোচটিকে বাকি ট্রেন থেকে আলাদাও করে ফেলা হয়েছে। শর্ট-সার্টিক থেকেই আগুন বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ সরল ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো, বসল অশোকস্তম্ভ, বদলে গেল যুবভারতী
এ ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর না থাকলেও স্বভাবতই ব্য়াপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অসুস্থও হয়ে পড়েছেন। ভোররাতে দিকে যখন আগুন লাগে তখন বেশিরভাগ যাত্রীই ঘুমের মধ্যে ছিলেন। যাত্রীরা বলছেন, প্রথমে কোচের একটি অংশে ধোঁয়া দেখা যায় তারপর দাউদাউ জ্বলে যায় কোচ। কোচের মধ্যেই চিৎকার চেঁচামেঁচি শুরু করে দেন যাত্রীরা। যদিও খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধারকারী দল। পুরো কোচে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই কোচে থাকা সব যাত্রীদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। শুধু ওই কোচই নয়, পাশের কোচ থেকেও যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আগুনের লেলিহান শিখার গ্রাসে বি-১ কোচটি সম্পূর্ণ ভষ্মীভূত হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘পুলিশ মার খাচ্ছে, এমন খবর যেন কানে না আসে’, পুলিশকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
তবে ইতিমধ্যেই রেলের তরফে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এ ধরনের প্রিমিয়াম ট্রেনে এ ঘটনায় স্বভাবতই উদ্বেগের বাতাবরণ রেলের অন্দরেও। শর্ট-সার্কিটই নেপথ্য কারণ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে তা খতিয়ে দেখা গিয়েছে। তৈরি করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। পাশাপাশি এই ট্রেনের যাত্রীদের বিকল্প ট্রেনে দিল্লি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।


