পরে লোক খেপে গিয়েছে। সব জায়গায় অপরাধের সঙ্গে পুলিশ জড়িয়ে রয়েছে। সে খবরও আসছে আমাদের কাছে। তাই পুলিশ নিজের দায়িত্ব পালন করুক। না হলে জনরোষ এমন হবে যে, কেউ কাউকে বাঁচাতে পারবে না।’’
আরও পড়ুনঃ কি দারুণ না! তদন্তে গাফিলতি, সমন্বয়হীনতা না কি সেটিং তত্ব? জামিন পেলেন অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণ!
কেন পুলিশ ও সরকারি আধিকারিকদের একাংশ এই পর্যায়ে চলে গিয়েছেন, তারও ব্যাখ্যা দেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, ‘‘ওসি, আইসি, বিডিওরা বিগড়েছেন কেন? কারণ, তাঁদের খারাপ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। ধীরে ধীরে তাঁরা সেটাকে স্বাভাবিক মনে করেছেন। এখন তো ঠিক হওয়া উচিত। না হলে এঁদেরকে গ্যারাজ করা হবে। আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’’
আরও পড়ুনঃ নেতাজি নগর থানায় কবীর সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
বিরোধী পরিসরে থাকার সময়ে প্রায়ই পুলিশের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যেত দিলীপকে। কিন্তু প্রশান্তের ঘটনায় দিলীপ বুঝিয়ে দিলেন, বিরোধী পরিসর থেকে তিনি রাজ্যের মন্ত্রী হলেও অবস্থানে বদল হয়নি। রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রী হিসাবে গত ৯ মে ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া আরও চার জন শপথ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম দিলীপ। প্রাথমিক ভাবে দফতর বণ্টনের পরে শুভেন্দুর হাতেই রয়েছে স্বরাষ্ট্র তথা পুলিশ দফতর। কিন্তু একাংশের পুলিশকে বার্তা দিলেন মন্ত্রী দিলীপও।



