রাজনীতিতে মিথ্যার অনেক রং থাকে, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গুরুতর আঘাত’-এর মিথ্যে গতকাল সব রং চড়িয়ে ছাপিয়ে গেছে। ভাইপোর যে আঘাত নিয়ে তিনি ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাচ্ছেন, সেই আঘাতের চিকিৎসা যখন কেবলমাত্র ‘গ্যাসের ওষুধ’—তখনই প্রমাণ হয়ে যায় গোটা বিষয়টি একটা পরিকল্পিত ভাঁওতাবাজি।
আরও পড়ুনঃ দম্ভের পতন এইভাবেই হয়! সোনারপুরে অভিষেককে জুতো-ডিম! চোর স্লোগানে ছেঁড়া হল জামা; চলল চড়-ঘুষি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুতর আহত, অথচ প্রেসক্রিপশন বলছে অন্য কথা! কোনো চোট নেই, কোনো ফ্র্যাকচার নেই, আছে কেবল অ্যাসিডিটির ট্যাবলেট। যখন সাংবাদিকরা এই অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তখন মমতা কোনো লজিক্যাল উত্তর না দিয়ে বানিয়ে বলছেন—‘অনেক ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে তাই গ্যাসের ওষুধ’। এ কি ডাক্তারি নাকি ডাহা মিথ্যে? আঘাতের যন্ত্রণার চেয়েও কি এখানে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার তাড়না বেশি?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, তিনি যখনই কোণঠাসা হন, তখনই এমন ‘আক্রান্ত’ হওয়ার গল্প ফাঁদেন। সিপিএমের বিরুদ্ধে করা সেই পুরনো মিথ্যেগুলো আজ ভাইপোর ক্ষেত্রেও একইভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর প্রতিটি জনসভার স্ক্রিপ্ট যেন একই কারখানা থেকে তৈরি—‘আমাকে মেরে ফেলল’, ‘সব ভেঙে দিল’, ‘আঘাত গুরুতর’! এই সস্তা নাটক আর কতদিন চলবে?
বাংলার মানুষ এখন অনেক বেশি চালাক। আপনার এই মিথ্যে আবেগ আর ‘গ্যাসের ওষুধের’ প্রেসক্রিপশন দিয়ে মানুষকে বোকা বানানো আর সম্ভব নয়।
মুখোশ খুলে গেছে, এবার অন্তত মিথ্যে বলা বন্ধ করুন!



