বাবা নাকি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছেন। আর এদিকে বাংলাদেশের সাংসদ জন্মগ্রহণ করেছেন ১৯৮১ সালে। এমনই ঘটনার জেরে জামায়াতে ইসলামির হাফেজ আবদুল মুনতাকিম কটাক্ষের মুখে পড়েছেন বলে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই বিষয়টি সামনে আসার পর থেকে তুমুল সমালোচনার পাশাপাশি চূড়ান্ত ট্রোলের মুখে পড়েছেন নীলফামারি-৪ আসনের সাংসদ। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুনতাকিম কোনও মন্তব্য করেননি। মুখ খোলা হয়নি জামায়াতে শিবিরের তরফে।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষক সংকট কাটাতে দ্রুত উদ্যোগী সরকার; কোচবিহারে দীপক বর্মন
কী মন্তব্য করেন জামায়াতে সাংসদ?
তাতে বিতর্ক থামেনি। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত বিল নিয়ে সংসদে আলোচনা চলছে। পাকিস্তানের সেনার সহযোগী হিসেবে জামায়াতে ইসলামিকে চিহ্নিত করা নিয়ে চলছে আলোচনা। সেই অধিবেশন ভাষণ দেওয়ার সময় জামায়াতে ইসলামির নেতা দাবি করেন, তাঁর বাবা ও দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছেন। তাঁর পরিবারের মোট ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন বলে দাবি করেন জামায়াতে ইসলামির সাংসদ।
আরও পড়ুনঃ শেষ হাসি হাসল ফ্রান্স, গোল পেলেন সেনেগালের তরুণ তুর্কি
১৯৭১-র মুক্তিযুদ্ধে বাবা শহিদ, ছেলের নাকি জন্ম ১৯৮১ সালে!
সেই পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু ভাষণের পরই তাঁর হলফনামা নিয়ে কাঁটাছেড়া শুরু হয়ে যায়। আর তাতে যে তথ্য উঠে আসে, তার জেরে চরম কটাক্ষের মুখে পড়েছেন জামায়াতে ইসলামির সাংসদ। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুনতাকিম যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাতে দাবি করেছেন যে ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন।


