সূর্যের পৃষ্ঠে এক বিশাল চৌম্বকীয় বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট চার্জযুক্ত কণা বা করোনাল মাস ইজেকশন (CME) আজ, সোমবার (১৭ আগস্ট) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আঘাত হানতে পারে। তবে বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেছেন যে এটি একটি অত্যন্ত মৃদু মাত্রার ঝড়।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গে মমতা সরকারের ২৫০ কোটির মেগা দুর্নীতি
ঝড়ের মাত্রা ও প্রভাব
-
G1-শ্রেণির ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়: বিজ্ঞানীদের মতে, এই সৌরঝড়টি সরাসরি পৃথিবীকে আঘাত না করে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে। ফলে এটি সৌরঝড়ের সবচেয়ে দুর্বল স্তর অর্থাৎ G1 শ্রেণির (Minor Geomagnetic Storm) ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় তৈরি করতে পারে।
-
যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব: দুর্বল প্রকৃতির হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কোনো বড় বিপদের আশঙ্কা নেই। তবে উপগ্রহ (Satellite), রেডিও যোগাযোগ এবং জিপিএস (GPS) নেভিগেশন ব্যবস্থায় সাময়িক বা সামান্য বিভ্রাট ঘটতে পারে।
-
নর্দার্ন লাইটস বা অরোরা (Aurora): এই ঝড়ের প্রভাবে উত্তর আমেরিকা এবং উত্তর ইউরোপের মেরু সংলগ্ন আকাশজুড়ে অত্যন্ত উজ্জ্বল ও বর্ণিল মেরুজ্যোতি দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভারতের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে নতুন ইতিহাস; দেবীপক্ষেই হলদিয়ায় ৬,০০০ কোটি টাকার মেগা প্ল্যান্ট
কেন বাড়ছে এই সৌর-সক্রিয়তা?
সূর্য বর্তমানে তার নিয়মিত ১১ বছরের সৌর-চক্রের (Solar Cycle) অত্যন্ত সক্রিয় পর্যায়ে অবস্থান করছে। এর ফলে বিগত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে সৌরবিস্ফোরণ ও পৃথিবীর দিকে CME নির্গমনের ঘটনা ঘটে চলেছে।
১৭ আগস্টের এই মৃদু ঝড়টি পর্যবেক্ষণ করে মহাকাশবিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য শক্তিশালী সৌরঝড় মোকাবিলা ও যোগাযোগের সুরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করছেন।


