Monday, 22 June, 2026
22 June
HomeকলকাতাKMC: ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে কলকাতার রাস্তার নাম; 'রক্তমাখা ইতিহাস' মুছে দিল...

KMC: ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে কলকাতার রাস্তার নাম; ‘রক্তমাখা ইতিহাস’ মুছে দিল কলকাতা পুরসভা

সুরাবর্দির সঙ্গে জড়িয়ে রক্তমাখা ইতিহাস। দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং তাঁরই নির্দেশে। সেই চিহ্ন মুছতে এবার পদক্ষেপ করল পুরসভা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সুরাবর্দির সঙ্গে জড়িয়ে রক্তমাখা ইতিহাস। দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং তাঁরই নির্দেশে। সেই চিহ্ন মুছতে এবার পদক্ষেপ করল পুরসভা। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের পবিত্র দিনে কলকাতা পুরসভা এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নগরবাসীকে চমকে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউ-এর নাম পরিবর্তন করে এখন থেকে তা হবে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউ কলকাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধমনী। কিন্তু এই নামটি দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।

আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক নির্বাচনের ইঙ্গিত! ২০২৯-র প্রস্তুতি কমিশনের

তবে  ১৯৪৬ সালের ভয়াবহ দাঙ্গার সময় তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হাসান সোহরাবর্দির নামে এই রাস্তাটির নামকরণ হয়নি। এই হাসান সোহরাবর্দি ছিলেন বিখ্যাত সার্জেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সার হাসান সুরাবর্দির নামে। এর পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, গোপাল মুখোপাধ্যায় ছিলেন সেই সাহসী ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৪৬সালের দাঙ্গার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে বাঁচাতে সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁকে বলা হয় ‘প্রটেক্টর-ইন-চিফ’। যখন চারদিকে আতঙ্ক আর হত্যাকাণ্ড চলছিল, তখন গোপালবাবু নিজের জীবন বাজি রেখে মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিলেন, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর সাহসিকতা ও মানবতার কাজ আজও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা।

কলকাতা পুরসভার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, এটি শুধু নাম পরিবর্তন নয়, ইতিহাসের সঠিক মূল্যায়ন।

আরও পড়ুনঃ বাড়ছে জল্পনা! কি থাকবে স্বপন দাশগুপ্তর ফাইলে

পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে এই ঘোষণা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই দিনে বাংলার আত্মপরিচয়, সংগ্রাম ও বীরত্বকে স্মরণ করা হয়। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে একপেশে ইতিহাস লেখা হয়েছে। সেই ধারা ভাঙতে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি। গোপাল মুখোপাধ্যায়ের মতো বীরদের সম্মান জানানোর মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম সত্যিকারের নায়কদের চিনতে পারবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন