দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে একাধিক বিধায়ক ও সাংসদের অসন্তোষ, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাধিক তলব সব মিলিয়ে শাসকদলের ভিতরে অস্থিরতা ও টানাপোড়েনের ছবি ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ আসল নকল দুই শিবিরের ‘জমি’-যুদ্ধে ইতি! ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি আর পুরনো জায়গায় নয়; জানাল পুলিশ
সূত্রের খবর, দলের একাধিক বিধায়ক এবং সাংসদ ইতিমধ্যেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের একাংশ নাকি প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে দলীয় অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর কথাও বলেছেন। এমনকি কিছু নেতা-কর্মীর তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত করে দাবি করা হয়েছে, দলের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। যদিও এই ধরনের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলের ভিতরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’ টোপর পরিয়ে ফাটাফাটি ‘জামাই আদর’ তৃণমূল কাউন্সিলর বগাইকে
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিআইডির বারবার তলবও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিরোধীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাগাতার আক্রমণ শানাচ্ছে। তবে তৃণমূলের তরফে বরাবরই দাবি করা হয়েছে, এসব তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং দলকে কোণঠাসা করার চেষ্টা মাত্র।


