বীরভূম জেলা সভাপতি করা হতে পারে ‘কেষ্ট’কে, আজ শনিবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সম্ভাবনা।
অবশেষে মমতা-স্মৃতি রেখে, চলেই গেলেন গেলেন কেষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী তৃণমূল গোষ্ঠীতে যোগ দিতে পারেন অনুব্রত মণ্ডল। একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের ভিত্তিতে এমন দাবি করেছে। তাঁকে ওই শিবিরের বীরভূম জেলা সভাপতি করার প্রস্তুতিও চলছে বলে খবর। তবে শুক্রবার রাত পর্যন্ত অনুব্রত নিজে দলবদলের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি।

কী বললেন অনুব্রত?
দলবদলের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অনুব্রত বলেন, “আমার জ্বর। আগামিকাল কলকাতায় যেতে পারি।” তাঁর এই মন্তব্যে জল্পনা আরও বাড়লেও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার কথা তিনি সরাসরি স্বীকার বা অস্বীকার করেননি।
আরও পড়ুনঃ কর্মীদের ত্যাগের মূল্য কোথায়?
ফোনেই চূড়ান্ত আলোচনা?
সূত্রের দাবি, শুক্রবার বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পর ঋতব্রত শিবিরের এক নেতা অনুব্রতকে ফোন করেন। সেই আলোচনাতেই যোগদান এবং বীরভূম জেলা সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে প্রাথমিক সম্মতি হয়েছে বলে খবর। শনিবার কর্মসমিতির বৈঠকের পর ঘোষণা হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ সব কিছুর একটা সীমা থাকে; অভিষেককে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের
ঋতব্রত শিবিরে বীরভূমের একাধিক নেতা
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ সিংহ, অভিজিৎ সিংহ এবং কাজল শেখের মতো বীরভূমের পরিচিত নেতাদের নামও ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতিতে রয়েছে। নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করা ওই গোষ্ঠী অনুব্রতকে সামনে রেখে বীরভূমের সংগঠন শক্তিশালী করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

বীরভূমের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ?
দীর্ঘদিন বীরভূমের তৃণমূল সংগঠনের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন অনুব্রত। ফলে তাঁর সম্ভাব্য শিবির বদল জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি সূত্রনির্ভর জল্পনা হিসেবেই থাকছে।


