Friday, 17 July, 2026
17 July
Homeউত্তরবঙ্গDhupguri:প্রথমে বাড়ির বউ, তারপর কর্তা, তারপর দেওর, তিন দিনে একই পরিবারের পরপর...

Dhupguri:প্রথমে বাড়ির বউ, তারপর কর্তা, তারপর দেওর, তিন দিনে একই পরিবারের পরপর তিন মৃত্যু

মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চুমকির শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়া শ্মশানে আত্মহত্যা করেন তাঁর দেওর সনাতন রায়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

জলপাইগুড়ির বানারহাট থানার পূর্ব দুরামারি গ্রামে গত তিনদিনে একই পরিবারের তিন সদস্যের রহস্যময় মৃত্যু ঘটেছে, যা এলাকায় ব্যাপক শোরগোল তুলেছে। প্রথমে ৩৭ বছর বয়সী গৃহবধূ চুমকি রায়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় মড়াঘাট রেঞ্জের গভীর জঙ্গলে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ওই জঙ্গলে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁর স্বামী বিমল রায়ের দেহ। তারপর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চুমকির শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়া শ্মশানে আত্মহত্যা করেন তাঁর দেওর সনাতন রায়।

আরও পড়ুনঃ চাপে ভারত বিরোধী প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র; সংসদ স্থগিত, জ্বলছে নেপাল

মায়ের মৃত্যুর পর পুলিশকে চুমকির ১৪ বছর বয়সী ছেলে জানিয়েছে, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে তাঁর বাবা বিমল একটি ভয়েস বার্তা পাঠিয়েছিলেন, যেখানে তিনি দাবি করেন তাঁর স্ত্রীকে তিনিই খুন করেছেন এবং এরপর আত্মহত্যা করতে চলেছেন। যদিও তিনি পরিবারের কারো প্রতি কোনো অভিযোগ করেননি। এই তথ্যের পর পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি শুরু করে। মড়াঘাট রেঞ্জের জঙ্গলে বনদফতরও রাতভর খোঁজাখুঁজি করলেও বিমল রায়ের সন্ধান মেলেনি। পরদিন সকালে এসএমজি-৩ কম্পার্টমেন্ট এলাকায় একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়, যেখানে তাঁর পায়ে রক্তের দাগও ছিল। এই ঘটনায় রহস্য আরও বাড়ে এবং আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও ঘটনার ফলাফল, তা তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।

আরও পড়ুনঃ ১৮ বার আক্রমণ, তবু আজও অটুট পুরীর জগন্নাথ মন্দির

এরই মাঝে চুমকি রায়ের শেষকৃত্য ঘটা শ্মশানে গিয়ে আত্মহত্যা করেন তাঁর দেওর সনাতন রায়। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সনাতনের হোয়াটসঅ্যাপে বৌদি চুমকির সঙ্গে কাটানো একান্ত মুহূর্তের ছবি পোস্ট করা ছিল। এরপরই তিনি শ্মশানে যান। পুলিশ এ মৃত্যু ও পোস্ট সম্পর্কিত তথ্য খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যেই সনাতন রায়ের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে।

এই তিনটি মৃত্যুর পেছনে কী রহস্য লুকিয়ে আছে, তা জানতে তদন্ত চলছে এবং ঘটনার গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন