দিল্লির যন্ত্র মন্তর থেকে শুরু হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিবাদের ঢেউ এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। মুম্বইয়ে শিবাজী পার্কে প্রায় দেড় হাজার প্রতিবাদী জমায়েত হয়, যাদের মধ্যে ২০০ জনকে পুলিশ আটক করেছে। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি কর্নাটক, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, হরিয়ানা সহ একাধিক রাজ্যে প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে।
আরও পড়ুনঃ ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরানোর সম্ভাবনা কম, ক্ষতিপূরণে ইতিবাচক কেন্দ্র
আন্দোলনের পটভূমি ও বিক্ষোভের বিস্তার
- কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ একগুচ্ছ দাবিতে আন্দোলন চলছে।
- সোনম ওয়াংচুকের অনশন ও লক্ষাধিক ছাত্রের সংসদ ভবন অভিযানে বিক্ষোভ গড়ে ওঠে।
- দিল্লিতে পুলিশি লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও মহিলাদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে।
- মুম্বই ও অন্যান্য শহরে অনুমতি ছাড়াই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন হবে! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তুতি
- দেশের সব রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।
- রাজ্যগুলিকে সমস্ত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২০ কোম্পানি সিআরপিএফ জওয়ান আনা হয়েছে।
- দিল্লি পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের পাশাপাশি অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ দেশের রাজনীতিতে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৎপর।


