১৬ জুলাই ২০২৬ রথযাত্রার আনন্দ এবার দ্বিগুণ হলো কারণ আজ পালিত হচ্ছে উল্টো রথ বা পুনর্যাত্রা। জগন্নাথ, বলরাম ও দেবী সুভদ্রা মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুণ্ডিচা দেবীর মন্দির থেকে নিজ শ্রীধামে ফিরে আসছেন। এটি রথযাত্রার মতোই গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।
আরও পড়ুনঃ উত্তম কুমারের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী মৃত্যুবার্ষিকীতে বড় উদ্যোগ শুভেন্দু সরকারের
উল্টো রথ কী?
উল্টো রথ বলতে বোঝায়, জগন্নাথদেব এবং তাঁর দুই ভাই-বোনের গুণ্ডিচা মন্দির থেকে নিজ মন্দিরে ফিরে আসার পবিত্র যাত্রা। জগন্নাথের রথ ‘নন্দীঘোষ’, বলরামের ‘তালধ্বজ’ ও সুভদ্রার ‘দর্পদলন’ রথ গুণ্ডিচা থেকে পুরীর মূল মন্দিরে আসার এই উৎসবকে উল্টো রথ বলা হয়।
উল্টো রথের দিন অনুষ্ঠান ও আরাধনা
- উল্টো রথের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই, সারাদিনই উৎসব উদযাপিত হতে পারে।
- সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয় আরাধনা ও পুজোর প্রস্তুতি।
- মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ পরিষ্কার করে সোনার বস্ত্র ও অলঙ্কারে সাজানো হয়।
- শুদ্ধ মনে পুজোর সংকল্প করে দেবতাদের আসনে আবাহন করা হয়।
- ফুল, নৈবেদ্য, তুলসী পাতা, ফল, মিষ্টি ও পোড়া পিঠে প্রভুর প্রতি ভোগ নিবেদন করা হয়।
- ধূপ, দীপ ও কর্পূর জ্বালিয়ে একাগ্রচিত্তে আরতি করা হয় এবং পরিবারের মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করা হয়।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বড় পদক্ষেপ; সরানো হল শিক্ষা সচিব বিনীত যোশীকে
সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব
উল্টো রথের দিন জগন্নাথের নিজ আলয়ে ফিরে আসার পুণ্যলগ্ন। এটি পুরীর অন্যতম বৃহত্তম আচার অনুষ্ঠান, যা ভক্তদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও আনন্দময় সময়।
প্রতি বছর এই দিনে ভক্তরা পূজার মাধ্যমে প্রভুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং পরিবারের মঙ্গল কামনা করেন। উল্টো রথের উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গভীর ঐতিহ্য বহন করে।


