Tuesday, 28 July, 2026
28 July
HomeকলকাতাKMC: এ কি, এবার কি হবে! মরেও শান্তি নেই, বন্ধ Death Certificate...

KMC: এ কি, এবার কি হবে! মরেও শান্তি নেই, বন্ধ Death Certificate দেওয়া; কলকাতায় চরম ভোগান্তিতে মৃতদের পরিবার

পরিষেবা কবে পুনরায় স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বা স্পষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়নি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

দেবজিৎ মুখার্জি, নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:

গত ২৫ জুলাই (শনিবার) থেকে কলকাতা পুরসভা (KMC) এলাকার শ্মশান ও কবরস্থানগুলিতে মৃত্যু শংসাপত্র (Death Certificate) এবং দাহ শংসাপত্র (Cremation Certificate) ইস্যু সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গত কয়েক দিনে প্রায় এক হাজারেরও বেশি দাহকার্য ও বহু দাফন সম্পন্ন হলেও সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির হাতে পৌঁছায়নি কোনও সরকারি শংসাপত্র।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে ৩০,০০০ কোটি টাকার মেগা বিনিয়োগ: ৩টি নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার

আইনি জটিলতা ও সাধারণ মানুষের ক্ষোভ: বর্তমানে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পর পরিবারগুলিকে কেবল একটি টাকা জমার রসিদ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আইনি বৈধতা না থাকায় এই রসিদ দিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা, বিমার টাকা দাবি, পেনশন চালু করা, সম্পত্তির উত্তরাধিকার বা মিউটেশনের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে, অন্যান্য জেলা থেকে এসে কলকাতায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করা পরিবারগুলিও দাহ শংসাপত্র না পাওয়ায় নিজ নিজ এলাকার পুরসভা বা পঞ্চায়েত থেকে মৃত্যু শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারছেন না।

আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়িতে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ও পুজোয় বন্ধ চা বাগান খোলার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

তদন্ত ও প্রশাসনিক স্থবিরতা: সূত্রের খবর, সম্প্রতি জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে চলা তদন্তের জেরেই পুরসভার সদর দফতর থেকে শ্মশানগুলিতে সাব-রেজিস্ট্রারদের শংসাপত্র ইস্যু না করার নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশি তদন্তকারী দল নিমতলা ও কেওড়াতলা মহাশ্মশানেও পরিদর্শন করেছে বলে জানা গিয়েছে।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য দফতরের একটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে, মৃত্যু শংসাপত্রে সাব-রেজিস্ট্রারদের স্বাক্ষরের ক্ষমতা সীমিত করার সাম্প্রতিক নির্দেশের কারণেও এই জট তৈরি হয়ে থাকতে পারে। নির্দেশিকা কঠোরভাবে কার্যকর হলে কেবল চিফ মিউনিসিপ্যাল হেলথ অফিসারই স্বাক্ষরের অধিকারী হবেন।

তবে পরিষেবা কবে পুনরায় স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বা স্পষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়নি। বিকল্প ব্যবস্থা না করে পরিষেবা বন্ধ রাখায় পুরসভার প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ নাগরিকেরা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন