Sunday, 20 September, 2026
20 September
HomeদেশSIR: আমজনতা তো কোন ছাড়; আদবাণী, জয়শঙ্কর থেকে নির্বাচন কমিশনার! দিল্লিতে ভিভিআইপি-দের...

SIR: আমজনতা তো কোন ছাড়; আদবাণী, জয়শঙ্কর থেকে নির্বাচন কমিশনার! দিল্লিতে ভিভিআইপি-দের নোটিস ধরাল ইসি

যাঁর যাঁর ভোটার রেকর্ডে তথ্যের অসঙ্গতি, বানানের ভুল বা ২০০২ সালের তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককেই শুনানির (Hearing) জন্য ডাকা হচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, নতুন দিল্লি:

সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি দেশের প্রথম সারির রাজনীতিক ও প্রশাসনিক কর্তারাও এবার নির্বাচন কমিশনের নিবিড় নজরদারির আওতায়। দিল্লিতে ভোটার তালিকা পরিমার্জনের (SIR) দ্বিতীয় ধাপের খসড়া প্রকাশ হতেই তৈরি হয়েছে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র এক দীর্ঘ তালিকা। সেই তালিকায় নাম রয়েছে দেশের প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবাণী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, আইনজীবী কপিল সিবল এবং খোদ নির্বাচন কমিশনার এস এস সান্ধুর।

তালিকা অনুযায়ী, যাঁর যাঁর ভোটার রেকর্ডে তথ্যের অসঙ্গতি, বানানের ভুল বা ২০০২ সালের তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককেই শুনানির (Hearing) জন্য ডাকা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  গঙ্গার নিচে মেট্রোর অনেক আগেই কলকাতায় তৈরি হয়েছিল ইতিহাস; শতবর্ষ প্রাচীন ক্যাবল টানেল

কারা নোটিস পেলেন এবং কেন?

কমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কারণে এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নোটিস পাঠানো ও ভেরিফিকেশনের আওতায় আনা হয়েছে:

ব্যক্তিত্ব ও নাম নোটিস পাওয়ার সম্ভাব্য কারণ
এস এস সান্ধু (নির্বাচন কমিশনার) ভোটার রেকর্ডে নামের বানানে অমিল বা অসঙ্গতি।
এস জয়শঙ্কর (বিদেশমন্ত্রী) ও কিয়োটো জয়শঙ্কর (স্ত্রী) প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্যের পুনর্যাচাই বা ভেরিফিকেশন।
কপিল সিবলবিক্রম মিস্ত্রি (বিদেশ সচিব) ২০০২ সালের এসআইআর (SIR) তালিকার সাথে ম্যাপিং না হওয়া।
লালকৃষ্ণ আদবাণীপ্রতিভা আদবাণী (কন্যা) নথিপত্রের যৌক্তিক বৈষম্য (Logical Discrepancy) নিরাসন।
রেখা গুপ্তা (দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী) খসড়া তালিকার ডিসক্রিপেন্সি লিস্টে নাম অন্তর্ভুক্ত।

(উল্লেখ্য, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর পরিবারের নাম প্রাথমিক খসড়া তালিকাতেই পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।)

আরও পড়ুনঃ  চাঞ্চল্যকর অভিযোগ; বিধানসভায় মমতাকে হারানোর ছক ক্যামাক স্ট্রিট থেকেই!

পরবর্তী পদক্ষেপ ও সময়সীমা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, তালিকায় নাম থাকা প্রতিটি ব্যক্তিকেই শুনানিতে হাজির হয়ে তাঁদের তথ্য সংশোধন করতে হবে।

যাঁদের নতুন করে আবেদন বা তথ্য সংশোধন করতে হবে, তাঁদের ফর্ম-৬ (Form 6) পূরণ করে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পরই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন