কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
টানা প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নেমে ফের স্তব্ধ হয়ে গেল উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান ধমনী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সিকিমের বরদাহ এলাকায় জাতীয় সড়কের বড় একটি অংশ ধসে পড়ার কারণে একটি চারচাকার গাড়ি রাস্তা থেকে কয়েক শত ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।
খবর পেয়েই ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (NHAI)-র উদ্ধারকারী দল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ ও রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু করেছে। তবে একটানা বৃষ্টি এবং রাস্তায় জমা কাদার কারণে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে চরম ব্যাঘাত ঘটছে।
আরও পড়ুনঃ সিটং-এ মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে চরম বিপত্তি; বার্বিকিউয়ের আগুনে আশঙ্কাজনক নববধূ
বৃষ্টির ক্ষয়ক্ষতি ও বর্তমান পথপরিস্থিতি
পাহাড়ি রাজ্যটিতে ধস ও পথযোগাযোগের বর্তমান পরিস্থিতি নিচে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় ও ক্ষেত্র | সাম্প্রতিক তথ্য ও আপডেট |
| ঘটনাস্থল | ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বরদাহ এলাকা (সিকিম)। |
| উদ্ধারকার্য ও যান চলাচল | কাদার কারণে কাজ ব্যাহত হলেও যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে একমুখী (one-way) যান চলাচল চালু রাখার চেষ্টা চলছে। |
| অভ্যন্তরীণ প্রভাব | কেবল ১০ নম্বর জাতীয় সড়কই নয়, একটানা বৃষ্টিতে সিকিমের ভেতরের একাধিক রুট ও পথযোগাযোগ অবরুদ্ধ। |
আরও পড়ুনঃ সামাজিক মাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরিতে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা; নেপালে নদীর জলে কুকুরকে ঠেলে ফেলার ভিডিও ঘিরে নিন্দার ঝড়
রেকর্ড বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়া পূর্বাভাস
গ্যাংটকের আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতের পর বুধবারও সিকিম জুড়ে মুষলধারে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
-
বৃষ্টির পরিমাণ (গত ২৪ ঘণ্টা): মঙ্গনে ২১৮ মিমি, কাবিতে ১৭৫ মিমি, সাঙ্কালনে ১১৭ মিমি এবং রাজধানী গ্যাংটকে ১০৮ মিমি বৃষ্টি নথিভুক্ত হয়েছে।
-
দুর্যোগের কারণ: কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের গ্যাংটক কেন্দ্রের অধিকর্তা দেবপ্রিয় রায় জানিয়েছেন, উত্তর-পূর্ব অসমে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে ওডিশা পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমি অক্ষরেখার যৌথ প্রভাবেই এই দুর্যোগ।
তবে আগামী শনিবার থেকে সিকিমে আবহাওয়া পরিস্থিতির ক্রমান্বয়ে উন্নতি হতে পারে বলে আশ্বাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।


