Thursday, 17 September, 2026
17 September
HomeদেশINS Kolkata: ‘চ্যালেঞ্জ নিবি না’; ‘INS কলকাতা’কে ধাক্কা মেরে সোজা ‘হাসপাতালে’ পাক...

INS Kolkata: ‘চ্যালেঞ্জ নিবি না’; ‘INS কলকাতা’কে ধাক্কা মেরে সোজা ‘হাসপাতালে’ পাক রণতরী

আইএনএস কলকাতা নৌসেনার এক দৈত্যাকার শক্তি। ধাক্কা লাগার পর ভারতীয় জাহাজটি যদি পাল্টা ঘুরে দাঁড়াত, তবে পাকিস্তানের টহলদারি নৌকাটি সাগরেই তলিয়ে যেত।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা প্রতিনিধি:

উত্তর আরবসাগরে রুটিন টহলদারির সময় আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভারতীয় নৌসেনার সর্বাধুনিক ও অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস কলকাতা’-কে অতর্কিতে ধাক্কা মারল পাকিস্তানের টহলদারি জাহাজ ‘পিএনএস হুনেইন’

তবে ওজনে তিন গুণ বড় এবং উন্নত সাজসজ্জায় সজ্জিত ভারতীয় ডেস্ট্রয়ারের ধাক্কায় উল্টে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিস্তানি ভেসেলটি নিজেই। সূত্রের খবর, পিএনএস হুনেইনের সামনের অংশ ভেঙে যাওয়ায় সেটিকে বাধ্য হয়ে বন্দরে ফেরত পাঠাতে হয়েছে। এই ঘটনায় চারজন পাক নৌকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেলেও ভারতের বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে— আইএনএস কলকাতার কোনো ক্ষতি হয়নি এবং সেটি পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যেই মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  তপন-সফির ‘মাষ্টারস্ট্রোকে’ চিন্তায় ‘বড় ভাই’ সিপিএম! বাম ঐক্য ও ভোট বিভাজন নিয়ে রাজনৈতিক তোলপাড়

কূটনৈতিক সমন ও ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পরই দিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিক সাদ আহমদ ওয়ারিচকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। পাক নৌসেনার এই পদক্ষেপকে ‘অপেশাদার এবং অনভিপ্রেত’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

  • ১৯৯১-এর দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন: ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, পাক নৌবাহিনীর এই আচরণ ১৯৯১ সালের ভারত-পাকিস্তান সামরিক চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের চরম লঙ্ঘন। চুক্তি অনুযায়ী, নৌমহড়া বা টহলদারির রুট ও সময়সীমা আগাম জানানোর নিয়ম থাকলেও তা মানেনি ইসলামাবাদ।

  • অতীতের পুনরাবৃত্তি: এর আগে ২০১১ সালেও পাক যুদ্ধজাহাজ ‘বাবর’-এর সঙ্গে ভারতীয় নৌসেনার ‘আইএনএস গোদাবরী’-র সংঘর্ষ ঘিরে ব্যাপক কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  ইতিহাসের পাতায় রাষ্ট্রীয় আড়ম্বর; ১৯৩৯ সালে যেভাবে পালিত হয়েছিল হিটলারের ৫০তম জন্মজয়ন্তী

আইএনএস কলকাতা বনাম পিএনএস হুনেইন: ক্ষমতার তুলনামূলক চিত্র

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানি জাহাজটি নিজের ক্ষমতা না বুঝে ভুল কৌশলগত চাল চলায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুই জলযানের ক্ষমতার ফারাক নিচে তুলে ধরা হলো:

বৈশিষ্ট্য / সরঞ্জাম আইএনএস কলকাতা (ভারত) পিএনএস হুনেইন (পাকিস্তান)
শ্রেণি ও ধরণ মূল সারির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার (প্রজেক্ট ১৫এ) অফশোর পেট্রোল ভেসেল (OPV – টহলদারি জাহাজ)
দৈর্ঘ্য ও ওজন ১৬৪ মিটার, ওজন ৭,৫০০+ টন ৯৮ মিটার, ওজন ২,৬০০ টন
গতিবেগ সর্বোচ্চ ৩০ নটস (ঘণ্টায় প্রায় ৫৫.৫ কিমি) ২৫ নটস (ঘণ্টায় প্রায় ৪৬.৩ কিমি)
অস্ত্র ও প্রযুক্তি ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল, ৩৬০° রাডার, ৭৬mm গান, একে-৬৩০ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, ৩০mm নাভাল গান, লাইট ডেফেন্স
নির্মাতা ও সংযোজন ভারতে তৈরি; ২০১৪ সালের অগস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদী কমিশন করেন ডাচ সংস্থা ড্যামেন শিপইয়ার্ড; ২০২৪-এ যুক্ত হয়

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ সন্দীপ উন্নিথানের মতে, “আইএনএস কলকাতা নৌসেনার এক দৈত্যাকার শক্তি। ধাক্কা লাগার পর ভারতীয় জাহাজটি যদি পাল্টা ঘুরে দাঁড়াত, তবে পাকিস্তানের টহলদারি নৌকাটি সাগরেই তলিয়ে যেত।”

নয়াদিল্লি গোটা ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে না দেখে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক স্তরে তুলে ধরছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন