Thursday, 17 September, 2026
17 September
Homeআন্তর্জাতিক নিউজAdolf Hitler: ইতিহাসের পাতায় রাষ্ট্রীয় আড়ম্বর; ১৯৩৯ সালে যেভাবে পালিত হয়েছিল হিটলারের...

Adolf Hitler: ইতিহাসের পাতায় রাষ্ট্রীয় আড়ম্বর; ১৯৩৯ সালে যেভাবে পালিত হয়েছিল হিটলারের ৫০তম জন্মজয়ন্তী

জার্মানিজুড়ে ২০ এপ্রিল দিনটিকে পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্মদিন কেন্দ্র করে সরকারি কোষাগার ও শক্তি প্রদর্শন নতুন কোনো ঘটনা নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে, ১৯৩৯ সালের ২০ এপ্রিল নাৎসি জার্মানি দেখেছিল সর্বকালের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও সামরিক ক্ষমতায় মোড়া এক রাষ্ট্রীয় জন্মদিন উদযাপন। নাৎসি স্বৈরশাসক অ্যাডলফ হিটলারের ৫০তম জন্মদিবসকে কেন্দ্র করে পুরো বার্লিন শহরকে পরিণত করা হয়েছিল সামরিক কুচকাওয়াজের মঞ্চে।

এই পুরো উৎসবটির মূল রূপকার ও প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নাৎসি প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবেলস।

আরও পড়ুনঃ প্রাণবন্ত মন্ত্রোচ্চারণ, কারাগারের অন্ধকারে জাতীয়তাবাদের আলো! রাজবন্দি সুভাষের দুর্গাপুজো

উৎসবের মাত্রা ও শক্তির প্রদর্শন

নাৎসি প্রচারযন্ত্র এই দিনটিকে কেবল একক ব্যক্তির জন্মদিন হিসেবে নয়, বরং জার্মানির ক্রমবর্ধমান সামরিক ও প্রযুক্তিগত পরাশক্তি হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছিল:

আয়োজন ও ক্ষেত্র ঐতিহাসিক বিবরণ ও আড়ম্বর
রাষ্ট্রীয় ছুটি জার্মানিজুড়ে ২০ এপ্রিল দিনটিকে পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
সামরিক কুচকাওয়াজ প্রায় ২০,০০০ সামরিক অফিসারের উপস্থিতিতে টানা চার ঘণ্টা ধরে চলে অভূতপূর্ব প্যারেড।
বায়ুসেনার শক্তি প্রদর্শন জার্মান লুপটবাফে (বায়ুসেনা) বার্লিনের আকাশে নানা ধরনের শক্তিমত্তা ও বিমান কৌশল প্রদর্শন করে।
অবকাঠামো ও সাজসজ্জা বার্লিনের ইস্ট-ওয়েস্ট এক্সিস সড়কজুড়ে বিশালাকার নাৎসি পতাকা ও আলো দিয়ে সাজানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  আরও কি বাইরের খাবার খেতে ইচ্ছা করছে? গাঙ্গুরামের নিমকির প্যাকেটে পালক, আমিনিয়ার ফ্রিজ থেকে ফিরনি, দুধের প্যাকেটে মরা আরশোলা!

ব্যক্তিপূজা ও প্রচারযন্ত্রের ভূমিকা

জোসেফ গোয়েবেলসের সুপরিকল্পিত প্রচার কৌশলে এডলফ হিটলারকে একাধারে ‘জাতির রক্ষক’ ও ‘একক নায়ক’ হিসেবে উপস্থাপন করাই ছিল এর প্রধান লক্ষ্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে নাৎসি জার্মানির তৎকালীন পুনর্নবীকৃত সামরিক শক্তি প্রদর্শন করাই ছিল এই দীর্ঘ চার ঘণ্টার প্যারেডের আসল উদ্দেশ্য।

ঐতিহাসিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসকদের জন্মদিন পালনের মাধ্যমে কীভাবে গণমনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং ‘ব্যক্তিপূজা’ (Cult of Personality) গড়ে তোলা যায়, ১৯৩৯ সালের এই ঘটনাটি ইতিহাসে তার অন্যতম বড় উদাহরণ হয়ে রয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন