Wednesday, 16 September, 2026
16 September
Homeআন্তর্জাতিক নিউজDhaka: সরান হলো বঙ্গবন্ধুর ছবি, জিন্নার ছবি ঘিরে বিতর্ক ও ছেঁড়ার ঘটনায়...

Dhaka: সরান হলো বঙ্গবন্ধুর ছবি, জিন্নার ছবি ঘিরে বিতর্ক ও ছেঁড়ার ঘটনায় উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১৪ সেপ্টেম্বর আবু তৈয়ব হাবিলদার নামের এক যুবক ভেতরে ঢুকে জিন্নার ছবি ছিঁড়ে ফেলেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রাহশালার নবউদ্বোধিত মিউজিয়ামে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি না রেখে পাকিস্তানের স্থপতি মহম্মদ আলি জিন্নার একাধিক ছবি রাখা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরপরই সংগ্রাহশালায় ঢুকে জিন্নার ছবি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে, যা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯২১ সাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত ইতিহাস তুলে ধরতে এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে হামলার হুমকি! সতর্কতা জারি করল সৌদি সিভিল ডিফেন্স

ঘটনা ও বিতর্কের প্রধান দিকসমূহ

ডাকসু সংগ্রহশালার ভেতরের বিন্যাস ও ছবি সংক্রান্ত প্রধান তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

বিষয় ও ক্ষেত্র সংগ্রাহশালার বিবরণ ও বিতর্ক
ছবি প্রদর্শন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি।
জিন্নার ছবি ও ক্ষোভ ১৯৪৮ সালে রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার ছবিসহ জিন্নার ৩টি ছবি রাখা হয়। তবে বঙ্গবন্ধুর কোনো একক ছবি স্থান পায়নি (শুধুমাত্র ১৯৭৪ সালে দুই ছেলের বিয়ের ছবি ও সংবাদের কাটিং দেখা গেছে)।
প্রতিক্রিয়া ও বিক্ষোভ ১৪ সেপ্টেম্বর আবু তৈয়ব হাবিলদার নামের এক যুবক ভেতরে ঢুকে জিন্নার ছবি ছিঁড়ে ফেলেন। পরে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের নেতারা প্রতিবাদ হিসেবে গোলাম আজমের ছবি ঝুলিয়ে দেন।

আরও পড়ুনঃ রেঙ্গুনের ‘দাদাঠাকুর’ থেকে আধুনিক বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক; জন্মদিবসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনকথা ও স্মৃতি

ছাত্র সংগঠনগুলির অবস্থান ও বিক্ষোভ

জিন্নার ছবি ছেঁড়ার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবু তৈয়ব হাবিলদার জানান, যিনি বাঙালিদের মাতৃভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করেছিলেন, তাঁর ছবি ডাকসুর সংগ্রহশালায় থাকতে পারে না।

অন্য দিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংগ্রাহশালা থেকে বিতর্কিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্ত ছবি সরানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি না রাখার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো যুক্তি না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাম্পাস চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন