বিশ্বকাপের মাঠ থেকে খালি হাতে ব্রাজিলের বিদায় এবং নেইমারদের কান্নার পর যখন পুরো দেশ হতাশায় ডুবে ছিল, ঠিক তখনই এক ভিন্নধর্মী বিশ্বরেকর্ড গড়ে শিরোনামে এলেন ব্রাজিলের এক যুগল। ফুটবলের ট্রফি হাতছাড়া হলেও ভালোবাসার ময়দানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পাতায় নিজেদের নাম তুললেন রেনাতো বায়মা গাইয়া এবং নাইয়ারা রবার্তা রিবেরো দে মারিন্স। আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবসে ৩০ সেকেন্ডে গুনে গুনে ১৯৫টি চুমু খেয়ে এই অনন্য কীর্তি স্থাপন করেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসের আগেই বিরাট ঘোষণা! জেন জি অনুপ্রেরণা, নেতাজির আদর্শে নতুন রাজনৈতিক দল
কীভাবে গড়লেন এই বিশ্বরেকর্ড?
-
৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুমু: চ্যালেঞ্জের শর্ত মেনে ৩০ সেকেন্ডে রেনাতো তাঁর প্রিয়সী নাইয়ারার গালে দ্রুতগতিতে একের পর এক ১৯৫টি চুমু আঁকেন।
-
জার্সি পরে অংশগ্রহণ: রেকর্ড গড়ার সময় রেনাতোর গায়ে ছিল তাঁর প্রিয় স্থানীয় ফুটবল দল ‘সাও জোসে ই.সি’-র (São José E.C.) জার্সি।
-
পেশাগত পরিচয়: রেনাতো (৩২) ও নাইয়ারা (৩৩) দুজনেই পেশায় চিকিৎসক। করোনা মহামারীর কঠিন সময়ে প্রথম সারির যোদ্ধা (Frontline Warriors) হিসেবে একসাথে কাজ করার সময় তাঁদের পরিচয় ও দেড় বছরের প্রণয়।
আরও পড়ুনঃ মধ্যরাতের রফা! জ্যোতিষীদের বিতর্ক; ১৫ই আগস্ট এবং ভারতের স্বাধীনতা দিবস
রেকর্ড গড়ার কারিগর রেনাতো ও তাঁর সংকল্প
-
একাধিক রেকর্ডের মালিক: রেনাতোর কাছে গিনেস রেকর্ড গড়া একধরনের নেশা। এর আগেও দ্রুততম সময়ে ১০টি বই সাজানো ও ফেলে দেওয়ার রেকর্ড এবং পুরুষদের বিভাগে সর্বাধিকবার পা ঘোরানোর রেকর্ড তাঁর ঝুলিতে ছিল। এই নতুন রেকর্ডের মাধ্যমে নিজেকে ব্রাজিলের সর্বাধিক বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী বলে দাবি করেছেন তিনি।
-
প্রতিকূলতাকে জয়: তায়কোয়ান্দোতে ব্ল্যাক বেল্টধারী এবং অস্থিমজ্জা দাতা (Bone Marrow Donor) রেনাতো আদতে এডিএইচডি (ADHD)-তে আক্রান্ত। তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছেন, শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও অদম্য ইচ্ছা থাকলে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুমুর এই রেকর্ডেই থেমে থাকতে চান না এই চিকিৎসক যুগল। তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো এক মিনিটে ২৭৭টি চুমু খাওয়ার যে বিশ্বরেকর্ডটি বর্তমানে জাপানের চেরি ইয়োশিতেকে এবং কুমিকো শিরাতোরির দখলে রয়েছে, সেটিকে ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি করা।


