তৈরি হবে দানবীয় কিউমুলোনিম্বাস। মেঘ থেকে বৃষ্টি যেন “প্রকৃতি ঢালবে কলশি করে জল”
২৯ ও ৩০শে আগষ্ট ২০২৬ শনিবার ও রবিবার ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে মৌসুমী অক্ষরেখা অত্যধিক শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যার জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় ভাবে শক্তিশালী বজ্রগর্ভ কিউমুলোনিম্বাস মেঘ সঞ্চার করে প্রবল বজ্রবিদ্যুৎ সহ মুষলধারে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে শক্তিশালী বজ্রঝড় ও রেনস্টোর্ম। বৃষ্টির সঙ্গে বিপজ্জনক বজ্রবিদ্যুৎ ও স্থানীয় ভাবে মেঘফাটা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওড়া হুগলি কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে স্থানীয় ভাবে মুষলধারে মেঘফাটা বৃষ্টি ও প্রবল বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নতুন নিম্নচাপ ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হতে চলেছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ নজরে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি
ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও হাওড়ার একাধিক অঞ্চলেও ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ প্রলয়ঙ্কারী বানের মুখে অটুট ‘সবুজ বাড়ি’; অলৌকিকভাবে রক্ষা পেল আটকে পড়া নেপালি পরিবার
রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সর্বত্রই বৃষ্টির দাপট বাড়বে।
স্থানভেদে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।


