Sunday, 6 September, 2026
6 September
HomeকলকাতাDurga Puja: পুজোর মুখে ১০৮ পদ্মের তীব্র আকাল; আকাশছোঁয়া খড় ও মাটির...

Durga Puja: পুজোর মুখে ১০৮ পদ্মের তীব্র আকাল; আকাশছোঁয়া খড় ও মাটির দামেও সঙ্কটে প্রতিমা শিল্পীরা

২০২৬ সালের পুজোর ঠিক মুখে এসে সেই পদ্ম নিয়েই দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

দুর্গাপুজোর অন্যতম প্রধান এবং আবশ্যিক উপাচার হলো ১০৮টি নীল বা লাল পদ্ম। অষ্টমীর সন্ধিপুজোয় পদ্ম ছাড়া দেবী আরাধনার কথা ভাবাই যায় না। তবে ২০২৬ সালের পুজোর ঠিক মুখে এসে সেই পদ্ম নিয়েই দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। অতিবৃষ্টি ও প্লাবনের কারণে পূর্ব মেদিনীপুরসহ রাজ্যের বিভিন্ন নিচু এলাকায় পদ্মের ক্ষেত জলের নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এবার যোগানে চরম টান পড়েছে। পদ্মের পাশাপাশি প্রতিমা গড়ার মূল উপাদান খড় ও মাটির দামও আকাশ ছোঁয়ায় পুজো উদ্যোক্তা ও প্রতিমা শিল্পী—উভয় পক্ষই চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  ৩ হাজার ড্রোনের আলোয় ‘দুর্গাপুজোর গল্প’; বিশ্বের বাঙালিকে জুড়তে বিরাট পরিকল্পনা রাজ্য

পদ্ম চাষ ও স্বাগতিক বাজারে সংকটের চিত্র

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা থেকেই মূলতঃ রাজ্যজুড়ে এবং বিদেশে পদ্মফুল রপ্তানি করা হয়। তবে এ বছরের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন:

  • জলে তলিয়েছে চাষের জমি: সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় যেখানে কৃষকরা হাজার হাজার পদ্ম তুলে হিমঘরে (Cold Storage) সংরক্ষণ করতে ব্যস্ত থাকেন, সেখানে এবার মাঠ জলমগ্ন হয়ে পড়ে রয়েছে।

  • গুণমান নষ্ট ও বায়না বন্ধ: লাগাতার বৃষ্টির ফলে ফুটে থাকা অধিকাংশ পদ্মেরই গুণমান নষ্ট হয়ে পচে গেছে। ফলে অন্যান্য বছরের মতো এবার কৃষকরা পুজো কমিটিগুলির থেকে আগাম কোনো বায়না (Advance Booking) নিচ্ছেন না।

  • ওড়িশার ফুল ও অগ্নিমূল্য বাজার: পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলার বাজারে ওড়িশা থেকে পদ্ম নিয়ে আসা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। ফলে ইতিমধ্যেই পদ্মের দাম বিপুল বেড়ে গেছে এবং পুজোর দিনগুলিতে তা সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  কয়লার ভাঁড়ার তলানিতে! উৎসবের মরশুমে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা

প্রতিমা নির্মাণে খড় ও মাটির হাঁসফাঁস অবস্থা

শুধু দুর্গা নয়, আসন্ন বিশ্বকর্মা পুজো থেকে শুরু করে দুর্গাপুজোর প্রতিমা তৈরি করতে গিয়ে কালঘাম ছুটছে কুমোরটুলিসহ রাজ্যের মৃৎশিল্পীদের:

উপাচার/উপাদান সংকটের মূল কারণ বর্তমান বাজারদর ও প্রভাব
পদ্মফুল অতিবৃষ্টিতে ক্ষেত ডুবে যাওয়া ও ফুল পচা সরবরাহ কম থাকায় চড়া দামে মিলছে, সন্ধিপুজোর ১০৮ পদ্ম জোগাড় করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
খড় (Straw) ভিজা আবহাওয়া ও গুদামে জল ঢুকে খড় ভিজে নষ্ট হওয়া আগে প্রতি মণ খড় বিক্রি হতো ৭০০–৮০০ টাকায়, যা বেড়ে হয়েছিল ১,০০০ টাকা। বর্তমানে সংকটের কারণে এক মণ খড়ের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকায়
পলি মাটি নদী বা পুকুর জলমগ্ন থাকায় প্রতিমার মাটি তোলার অভাব মাটির যোগান কমে যাওয়ায় মৃৎশিল্পীদের প্রতিমা তৈরির খরচ একধাক্কায় বহু গুণ বেড়ে গেছে।

উৎসবের মরশুম শুরুর ঠিক মুখে প্রকৃতি ও আবহাওয়ার এই দ্বৈত মারে সার্বিক পুজো বাজেট সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন রাজ্যের হাজার হাজার ছোট-বড় পুজো উদ্যোক্তারা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন