বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, কলকাতা:
শহরের বুকে ফের অগ্নিকাণ্ডের বড় ঘটনা। নিউ মার্কেট ও শিয়ালদহের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উত্তর কলকাতার চিৎপুরের ঘনবসতিপূর্ণ নবাবপট্টি এলাকায় একটি রাসায়নিক বা কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগল। মুহূর্তের মধ্যে কারখানার চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এবং আগুনের লেলহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে অকুস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১১টি ইঞ্জিন ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (DMRF)।
আরও পড়ুনঃ আগুন নিভছে না ISRO-র! বেসরকারিকরণের ছোঁয়া লাগতেই আশঙ্কায় ইসরোর বিজ্ঞানীরা
অগ্নিSource ও উদ্ধারকাজের বিবরণ
রবিবার ছুটির দিন থাকায় একটি বড় ধরনের প্রাণহানি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিক ধারণা:
-
বন্ধ ছিল কারখানা: সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের সময়ে কারখানার ভেতরে কোনো শ্রমিক বা কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। ফলে ভেতরে কেউ আটকে পড়েননি বলে প্রাথমিক স্বস্তি।
-
বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী: রাসায়নিক পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে দমকলের পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলা টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
-
আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা: ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দমকলের ইঞ্জিনগুলি পৌঁছাতে এবং জল দেওয়ার কাজ শুরু করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। তবুও বাহিনীর যৌথ তৎপরতায় আগুন অন্য ভবনে ছড়িয়ে পড়া আটকানোর চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গে লুকিয়ে আছে আল কায়েদা জঙ্গি আবু তালহা! তদন্তে NIA
ঘটনার সামগ্রিক চিত্র ও তদন্তের নির্দেশ
প্রশাসনিক ও স্থানীয় সূত্রের সংগৃহীত আপডেট:
| বিষয় | বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক তথ্য |
| অঘটন ও ক্ষয়ক্ষতি | রাসায়নিক কাঁচামাল ও দাহ্য পদার্থ পুড়ে বিপুল পরিমাণের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। |
| আগুনের সম্ভাব্য কারণ | কারখানা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনো কারণে আগুন লেগেছে, তা খতিয়ে দেখছেন ফায়ার সেফটি অফিসাররা। |
| নিরাপত্তা নিরীক্ষা | পরপর তিন দিনে নিউ মার্কেট, শিয়ালদহ এবং চিৎপুরের মতো ব্যস্ত ও ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে শহরের ফায়ার সেফটি অডিট বা অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। |
দমকল আধিকারিকদের মতে, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পর কুলিং প্রসেস (Cooling Process) শেষ হলে ফরেনসিক টিম দিয়ে আগুনের সঠিক উৎস তদন্ত করে দেখা হবে।


