কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
টানা মুষলধারে বৃষ্টির জেরে নেপালের মানাং জেলার সদর দপ্তর চামে (Chame) ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছে। আজ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রবিবার), আচমকা পাহাড় থেকে ধস নেমে এবং মরস্যাংদি (Marsyangdi) নদীর জলস্তর মারাত্মক বেড়ে গিয়ে একাধিক লোকালয় কাদা ও পাথরের স্তূপে তলিয়ে গেছে।
আরও পড়ুনঃ বাংলায় ‘ডিফেন্স পার্ক’! তৈরি অস্ত্র সামগ্রী যাবে বিদেশে! প্রস্তাব এল রাজ্যে
ক্ষয়ক্ষতি ও বর্তমান পরিস্থিতি
-
বসতবাড়ি ধ্বংস: পাহাড়ি ঢল ও ধসের তোড়ে অন্তত ৫টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মধ্যরাতে জল ও কাদা ঢুকতে শুরু করায় বাসিন্দারা প্রাণ বাঁচাতে পাশের জঙ্গলে ও পাহাড়ি উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন।
-
যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন: চামে শহরের সাথে যোগাযোগের দুটি প্রধান কাঠের সেতু ধসে ভেসে গেছে। রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় গত তিন দিন ধরে চামে অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন।
-
আশ্রয় ও সংকট: গৃহহীন স্থানীয় বাসিন্দা, শিশু, বয়স্ক এবং ট্রেকিংয়ে আসা বহু দেশি-বিদেশি পর্যটক আপাতত সরকারি দপ্তর, হাসপাতাল ও পুলিশ ব্যারাকে আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে খাবার, গরম জামাকাপড় ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ উদ্যোক্তাদের, শিক্ষকদের মারধর; সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইন্সস্টিটিউটে বহিরাগতদের তাণ্ডব
উদ্ধার অভিযান ও জরুরি আবেদন
ধসের কারণে ল্যাম্পজং বেস ক্যাম্প সংলগ্ন ঘাটটে খোলা (Ghatte Khola) নদী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় চামে গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের নেপালি সেনার ব্যারাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলে লাগাতার ধস এবং ভূমি বিচ্ছিন্নতার কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও আটকে পড়া দুর্গতরা সরকারের কাছে হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযানের জরুরি আকুতি জানিয়েছেন।


