Wednesday, 14 October, 2026
14 October
HomeদেশFrance Protest: সতর্ক করলেন মার্কিন সাংবাদিক! পরবর্তী লক্ষ্য ভারত; ফ্রান্সে বিক্ষোভের পিছনে...

France Protest: সতর্ক করলেন মার্কিন সাংবাদিক! পরবর্তী লক্ষ্য ভারত; ফ্রান্সে বিক্ষোভের পিছনে ইসলামপন্থী ও বামপন্থী নেটওয়ার্কভারত

বামপন্থী রাজনৈতিক কেন্দ্র ‘দ্য পিপলস ফোরাম’-এ ওই অনুষ্ঠানটি হয়েছিল, সেটি ২০১৭ সালে নেভিল রয় সিংহামের কাছ থেকে ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৪০ হাজার ডলার অর্থসাহায্য পেয়েছিল বলে অভিযোগ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ফ্রান্সের ছাত্র আন্দোলনের নেপথ্যে কি রয়েছে কোনো সুদূর প্রসারী আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক এবং বিদেশি অর্থের খেলা? আমেরিকার নামী সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-এর একটি সাম্প্রতিক তদন্তমূলক প্রতিবেদনে এমনই কিছু বিস্ফোরক দাবি সামনে এসেছে। শুধু তাই নয়, ফক্স নিউজের ওই প্রতিবেদনে ফ্রান্সের এই বিক্ষোভের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন প্রতিবাদের প্রত্যক্ষ যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ এখনও মূলত আইনি বা তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে এবং এর স্বাধীন সত্যতা যাচাই প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  গোর্খাল্যান্ড হলে কামতাপুরও চাই! রুদ্ধদ্বার বৈঠক পাহাড়ে

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে কী দাবি করা হয়েছে?

ফক্স নিউজের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সে সম্প্রতি যে ছাত্র বিক্ষোভ দেখা দিয়েছিল, তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে অন্তত ৫০টি বিভিন্ন সংগঠন। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী এবং বিদেশি তহবিল জোগানের বিষয়গুলি নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

চিহ্নিত ৫০টি সংগঠনের বিশদ বিশ্লেষণে দেখা গেছে:

  • এর মধ্যে মাত্র ১৫টি সংগঠন ছিল প্রকৃত ছাত্র বা যুব সংগঠন।

  • বাকি ৩৫টি সংগঠনের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী শ্রমিক ইউনিয়ন, কমিউনিস্ট ও সমাজতান্ত্রিক গোষ্ঠী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং একটি সক্রিয় প্যালেস্তাইনপন্থী মঞ্চ।

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু নির্দিষ্ট মতাদর্শগত গোষ্ঠী ছাত্র আন্দোলনকে হাতিয়ার করে তাদের বৃহত্তর রাজনৈতিক এজেন্ডা বা কমিউনিস্ট কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

ভারতীয় যোগ ও আসরা নোমানির চাঞ্চল্যকর দাবি

ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান সাংবাদিক আসরা নোমানি ফক্স নিউজের এই প্রতিবেদন শেয়ার করে দাবি করেছেন যে, ফ্রান্সের এই ছাত্রবিক্ষোভের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন আন্দোলনের গভীর যোগসূত্র রয়েছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বতন টুইটার) তিনি তাঁর বহুচর্চিত সতর্কবার্তা ‘NEXT: INDIA’ (পরবর্তী লক্ষ্য ভারত)-এর কথা পুনর্ব্যক্ত করে দাবি করেন, তিনি আগে যা আশঙ্কা করেছিলেন, এখন বাস্তবে সেই সমস্ত ঘটনাই ঘটে চলেছে।

প্রতিবেদনে সাংহাইতে বসবাসকারী মার্কিন ব্যবসায়ী নেভিল রয় সিংহাম এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা সংগঠক বিজয় প্রসাদ-এর নামও টানা হয়েছে। নোমানির অভিযোগ, সিংহামের সঙ্গে যুক্ত অর্থ অতীতে ভারতে বিভিন্ন প্রচারমূলক কার্যকলাপ ও জনমতকে প্রভাবিত করার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও এই ধরনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং তার প্রকৃত পরিসর প্রমাণের জন্য যথেষ্ট জোরালো তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় তথ্যসম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বিজেপির এল মুরুগান; ছারলেন রাজ্যসভার সাংসদ পদও

‘ইন্ডিয়ান অ্যালায়েন্স প্যারিস’ এবং দ্য পিপলস ফোরাম প্রসঙ্গ

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে ফ্রান্সে বসবাসকারী পড়ুয়া, গবেষক ও পেশাদারদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান অ্যালায়েন্স প্যারিস’-এর নামও উঠে এসেছে।

  • প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে ন্যাটোর সম্প্রসারণের বিরোধিতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের সহ-আয়োজক ছিল এই সংগঠনটি।

  • নিউ ইয়র্কের যে বামপন্থী রাজনৈতিক কেন্দ্র ‘দ্য পিপলস ফোরাম’-এ ওই অনুষ্ঠানটি হয়েছিল, সেটি ২০১৭ সালে নেভিল রয় সিংহামের কাছ থেকে ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৪০ হাজার ডলার অর্থসাহায্য পেয়েছিল বলে অভিযোগ।

তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, কোনো আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যৌথভাবে কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানেই কোনো বৃহত্তর গোপন রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক বা বিদেশি অর্থে পরিচালিত অভিযানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকা প্রমাণিত হয় না। তা সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী নেটওয়ার্কের অন্দরে বিদেশি তহবিলের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে এই প্রতিবেদন নতুন করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন