Sunday, 25 October, 2026
25 October
HomeদেশGyanesh Kumar: মোক্ষম চাল বিরোধীদের, জ্ঞানেশ কুমারকে জনসমক্ষে এবার ‘গদি থেকে নামাবে’...

Gyanesh Kumar: মোক্ষম চাল বিরোধীদের, জ্ঞানেশ কুমারকে জনসমক্ষে এবার ‘গদি থেকে নামাবে’ INDIA জোট!

১ নভেম্বরের মেগা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজধানীতে রাজনৈতিক পারদ যে চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ জাতীয় ও রাজনৈতিক প্রতিবেদন:

ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ক, নিয়মে পরিবর্তন এবং নির্বাচন কমিশনের অন্দরে দ্বন্দ্বের গুঞ্জনের জেরে এবার নজিরবিহীন ও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক পদক্ষেপের পথে হাঁটল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA)। আগামী ৩০ অক্টোবর দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতীকী ‘জনতার ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া’ (People’s Impeachment Process) আয়োজন করার চাঞ্চল্যকর ঘোষণা করেছে বিরোধীরা। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ নভেম্বর দিল্লিতে আরও একটি বিশাল কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা করেছে কংগ্রেস, যেখানে কমপক্ষে ১০ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ উত্তপ্ত প্যারিস; ফ্রান্সের রাজপথ দখল বিক্ষোভকারীদের!

বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ও ‘ইমপিচমেন্ট’-এর প্রেক্ষাপট

ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) বা ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্বাচন কমিশন পরিকল্পিতভাবে বহু বৈধ নাগরিকের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে এবং ভোট প্রক্রিয়ার নিয়মে একতরফা বদল ঘটিয়েছে।

এই আবহে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব—সকলেই সোচ্চার হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। বিরোধীদের স্পষ্ট অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থার মর্যাদা খুইয়ে শাসকদলের স্বার্থে কাজ করছে।

আইনি সুরক্ষাকবচ ও আইনের বিধানকে চ্যালেঞ্জ

শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনই নয়, আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিরোধী শিবির। ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইন, ২০২৩’-এর ১৬ নম্বর ধারাকে চ্যালেঞ্জ করতে চলেছে তারা। ওই বিধানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, পদে থাকাকালীন নেওয়া কোনো প্রশাসনিক বা নীতিগত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না এবং এই সুরক্ষাকবচ তাঁর অবসরের পরেও বহাল থাকবে। বিরোধীরা এই আইনি সুরক্ষা বিধানের সংশোধন বা বাতিলের দাবি তুলছেন।

আরও পড়ুনঃ  এবার পবিত্র মক্কা-মদিনাও বাদ পড়ল না! হুথিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র পড়ল মক্কায়

বিজেপির তীব্র আক্রমণ

ইন্ডিয়া জোটের এই অভিনব ‘জনতার ইমপিচমেন্ট’ এবং আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা করেছে শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র সাংবাদিক বৈঠক করে আক্রমণ শানিয়ে বলেছেন, নির্বাচনী ময়দানে গণতান্ত্রিক পরাজয় মেনে নিতে না পেরে ইন্ডিয়া জোট এবং রাহুল গান্ধী দেশের স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন। ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছে গেরুয়া শিবির।

আগামী ৩০ অক্টোবর প্রতীকী ইমপিচমেন্ট এবং ১ নভেম্বরের মেগা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজধানীতে রাজনৈতিক পারদ যে চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন